Home Blog Page 2

অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

0

নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কাজ শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই প্রায় তিন মাসের বকেয়া বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে পে ফিক্সেশনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের পর প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বকেয়া পাওনার পরিমাণ চূড়ান্ত হবে। তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। নতুন ও আগের মূল বেতনের পার্থক্য এবং নতুন বেতন কার্যকরের তারিখ অনুযায়ী যার যত পাওনা, সে অনুযায়ী বকেয়া হিসাব করা হবে। সরকার গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন ও আগের মূল বেতনের পার্থক্য ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পার্থক্যের ৪০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ পরিশোধের কথা রয়েছে। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। এ হিসাবে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই প্রায় তিন মাসের বকেয়া হিসাব করে অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির সিটি-ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস বিভাগের ধারাবাহিক অভিযান

0

ঢাকা জুড়ে ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি ও সাইবার অপরাধীসহ গ্রেফতার ৬৭

সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, খিলক্ষেত ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশবিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের অন্তর্গত সিটি-ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস বিভাগ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাস জুড়ে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন থানা এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। পুরো মাসব্যাপী পরিচালিত এই সমন্বিত অভিযানে ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, পরোয়ানাভুক্ত আসামী এবং সাইবার জালিয়াতিতে জড়িত মোট ৬৭ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, বোতলজাত মদ, সুইচ গিয়ার চাকু, কাঁচি, ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন এবং সাইবার অপরাধে ব্যবহৃত স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। সিটি-ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস বিভাগের প্রাপ্ত তথ্য বিবরণী পর্যালোচনা করে বিস্তারিত অভিযান সংক্রান্ত তথ্য পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (কাওরান বাজার ও বনানী):


এমসিসি নং ৮৪৯/২৬ এবং জিডি নং-১৩/২৬ মূলে এসআই (নি:) মোঃ মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিমের উত্তরা ও গুলশান এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালে তেজগাঁও থানাধীন কাওরান বাজার এলাকা থেকে রাত ০১:০০ ঘটিকায় ছিনতাই করাকালীন অবস্থায় রিয়াদ (২৭) ও সাইফুল (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়। একই রাতে রাত ০২:০০ ঘটিকায় বনানী থানাধীন কাকলি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজার নিকট হতে হৃদয় (১৯) ও কালাচান মিয়া (৩০)-কে আটক করা হয়। আসামীদের কাছ থেকে ১টি সুইচ গিয়ার চাকু ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা নং-০১, তারিখ: ০২/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা: ৩৯৩ দণ্ডবিধি রুজু করা হয়েছে। ০২ ও ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রমনা, যাত্রাবাড়ী ও দক্ষিণখান):


সিটিটিসির জিডি নং-২৬ মূলে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ মোর্শেদুল হাসানের নেতৃত্বে এসআই শশাংক শেখর মন্ডল এবং সঙ্গীয় ফোর্স ০২ সেপ্টেম্বর রাত ২২:৪০ ঘটিকায় রমনা থানাধীন রমনা শপিং কমপ্লেক্সের দারুসুন্নাহ এন্টারপ্রাইজের সামনে পাকা রাস্তার ওপর অভিযান চালিয়ে মোঃ মিন্টু (২৯)-কে গ্রেফতার করেন। তার কাছ থেকে ৪টি প্যাকেটে মোট ০৭ কেজি গাঁজা (যার আনুমানিক মূল্য ২,১০,০০০ টাকা) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা নং-৪, তারিখ: ০৩/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) রুজু করা হয়। অন্যদিকে, ০৩ সেপ্টেম্বর এমসিসি নং ৮৫৮/২৬ ও জিডি নং ২২/২৬ মূলে এসআই মোঃ মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে রাত ২১:০৫ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী গোলচত্বর থেকে ছিনতাই করাকালীন মোঃ ইফাত (২২) ও এমদাদুল (১৯)-কে গ্রেফতার করে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়। একই সাথে দক্ষিণখান থানার মামলা নং ১২(৫)২২, জিআর ১৯৯/২২ এর গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী মোঃ অন্তর আহম্মেদ (২৮)-কে গ্রেফতার করে দক্ষিণখান থানায় হস্তান্তর করা হয়। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (কাওরান বাজার):


এমসিসি নং ৮৬৮/২৬ ও জিডি নং ৫৩/২৬ মূলে এসআই মোঃ মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে তেজগাঁও থানাধীন কাওরান বাজার এলাকায় রাত ০১:০৫ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাই করাকালীন মোঃ রনি (৩১)-কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীর নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার):


এমসিসি নং ৯১২/২৬ ও জিডি নং ১৪৪/২৬ মূলে এসআই মোঃ মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে শাহজাহানের চায়ের দোকানের সামনে রাত ১৯:৩০ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে ২৩ পিস ইয়াবা ও ৪ পুরিয়া হেরোইনসহ সোহান (১৮)-কে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-৩১, তারিখ: ০৮/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) রুজু করা হয়। এ ছাড়া রাত ২০:০৫ ঘটিকায় একই এলাকা হতে ছিনতাই করাকালীন মোঃ সাজ্জাদ (২১)-কে গ্রেফতার করা হয়। ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (কাচ্চি ভাই, কাওরান বাজার):


এমসিসি নং-৯১৬/২৬ ও জিডি নং-১৪৮/২৬ মূলে এএসআই (নি:) মোঃ রাফিকউদ্দৌলার নেতৃত্বে তেজগাঁও থানাধীন কাওরান বাজার মেট্রোরেলের নিচে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের সামনে রাত ০০:৪৫ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে ১ বোতল (৭৫০ মিলি) CAREW’S fine brand মদসহ মাদকসেবী আব্দুল আলিম (৫০) ও শাহিন আহমেদ (৪৯)-কে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা):


এমসিসি নং-৯২৭/২০২৬ ও জিডি নং-১৮৮ মূলে বিকাল ১৭:০০ টা হতে রাত ২৩:৫৯ টা পর্যন্ত বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গোলচত্বরের পশ্চিম পাশে ফুটপাতের ওপর থেকে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে মোঃ মোজাহিদ (২৫)-কে গ্রেফতারপূর্বক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বিমানবন্দর ও যাত্রাবাড়ী):
১০ সেপ্টেম্বর এমসিসি নং-৯৩০/২৬ ও জিডি নং-১৯৬/২৬ মূলে এসআই মোঃ মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিমানবন্দর থানাধীন বাবুস সালাম জামে মসজিদের সামনে রাত ০১:৪৫ ঘটিকায় ৩৮ পুরিয়া (১৫৫ গ্রাম) গাঁজাসহ (মূল্য ৩,০০০ টাকা) মোঃ ফারুক গাজী (৫২)-কে গ্রেফতার করা হয়। ১১ সেপ্টেম্বর এমসিসি নং-৯৪৪/২৬ ও জিডি নং-২২৩/২৬ মূলে রাত ১৯:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী থানাধীন দয়াগঞ্জ রেলগেটের পূর্ব পাশে মোঃ রিফাত (১৯), রবিউল (১৯) ও সামাদ (৪৮)-কে ১০০ পুরিয়া (২১৫ গ্রাম) গাঁজাসহ (মূল্য ৫,০০০ টাকা) গ্রেফতার করা হয়। আসামীদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-৪৩, তারিখ: ১২/০৯/২০২৬ খ্রি. রুজু করা হয়। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬:


১২ সেপ্টেম্বর জিডি নং-২৫০/২৬ মূলে রাত ২২:৩০ ঘটিকায় অভিযান চালিয়ে ৪ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর জিডি নং-২৭৩/২৬ মূলে ১৮:৩০ ঘটিকায় আরও ২ জন আসামী গ্রেফতার হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সাইবার নিরাপত্তা আইন ও মাদক অভিযান):
সিটিটিসির জিডি নং-২৪৮/১২-০৯-২০২৬ মূলে পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোহাম্মদ রাহাৎ খানের নেতৃত্বে রেকর্ড অ্যান্ড এ্যানালাইসিস টিম ফেসবুকে সিডিআর, এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন ও এসএমএস কন্টেন্ট বিক্রির বিজ্ঞাপনের সত্যতা পেয়ে মগবাজার-কাকরাইল রাস্তার আর-দীন হাসপাতালের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। রাত ০২:৩০ ঘটিকায় ১টি ইনফিনিক্স মোবাইল ও ৪০ পাতার হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট আলামতসহ অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা নং-১৫, তারিখ: ১৩/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা: সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর ১৮(২)গ/২১/২১(১)/২২(২)/২৪/২৭ রুজু করা হয়। একই দিন জিডি নং-২৭০ মূলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন সাতরাস্তার মোড়ে আকিজ পাম্পের উত্তর পাশে রাত ১৯:৫০ ঘটিকায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ মোর্শেদুল হাসানের নেতৃত্বে ০৮ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা নং-১৬, তারিখ: ১৪/০৯/২০২৬ খ্রি. দায়ের করা হয়। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (যাত্রাবাড়ী ও অন্যান্য):


১৪ সেপ্টেম্বর এমসিসি নং ৯৭৪/২৬ ও জিডি নং ২৯৪/২৬ মূলে রাত ১৮:৫০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা হতে ৩টি ছিনতাইকৃত মোবাইলসহ মোঃ সাজিম প্রকাশ সানি (২১), মোঃ রমজান (২৫), মোঃ রিফাত (২৪), মোঃ জুবায়ের আহমেদ (২০) ও মোঃ মেহেদি হাসান (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-৬০, তারিখ: ১৫/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা: ৩৯৯/৪০২ দণ্ডবিধি রুজু করা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর এমসিসি নং ৯৮৬/২৬ ও জিডি নং ৩১৭/২৬ মূলে রাত ২১:১৫ ঘটিকায় ১টি চাকু ও ১টি কাঁচিসহ ২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়। ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (যাত্রাবাড়ী এলাকা):


১৬ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৩৪০/২৬ মূলে রাত ২৩:১৩ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় গ্রীন হেলথ হাসপাতালের সামনে থেকে ১টি বিদেশি সুইচ গিয়া চাকু, ১টি কাঁচি ও ৪টি ছিনতাইকৃত মোবাইলসহ জাহিদ (২৩), মোঃ সুমন বেপারী (২৭) ও মোঃ সিফাত বেপারী (২৩)-কে গ্রেফতার করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৩৬৪/২৬ মূলে রাত ২১:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের আইল্যান্ড হতে ২টি ছিনতাইকৃত মোবাইলসহ ইব্রাহিম (২৫) ও আল আমিন হোসেন বেপারী (২৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। ১৯ ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (যাত্রাবাড়ী এলাকা):
১৯ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৫২৭/২৬ মূলে রাত ১৯:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে ছিনতাই করাকালীন মোঃ সুজাল হোসাইন রিমন (২২)-কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামী যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নং-৭১(২)২৪ (ধারা-৩৮৫/৩৮৬ পেনাল কোড)-এর পরোয়ানাভুক্ত আসামী। ২১ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৪৮৩/২৬ মূলে রাত ০১:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী গোলচত্বর থেকে ইমাম হোসেন (৫৫) ও মুন্না (২০)-কে গ্রেফতার করা হয়। মুন্নার বিরুদ্ধে মুগদা থানার মামলা নং-০৫(৪)২৩ (ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড)-এর ১টি জিআর পরোয়ানা মুলতবি ছিল। ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (কাওখালি ও খিলক্ষেত):


২২ সেপ্টেম্বর জিডি নং-৫৩৩/২৬ মূলে রাত ০১:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা হতে ছিনতাই করাকালীন মোঃ আকাশ হাওলাদার (২৩)-কে গ্রেফতার করে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ডায়েরি নং-৫৭৩ মূলে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ মোর্শেদুল হাসানের নেতৃত্বে এসআই মোঃ আব্দুল কাফি ও টিম দুপুর ১৪:৫৫ ঘটিকায় খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-০২, ১৫ নং রোডের মাথায় জোয়ারসাহারা রোডের মোখলেছের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৫১ গ্রাম হেরোইন (যার মূল্য ৪,০৮,০০০ টাকা) এবং ৫০ পিস ইয়াবা (যার মূল্য ১৫,০০০ টাকা) সহ শিল্পী রাণী শীল (২৮) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় মামলা নং-১৭, তারিখ: ২৩/০৯/২০২৬ খ্রি. রুজু করা হয়। ২৩, ২৪ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬:


২৩ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৫৬৩/২৬ মূলে সকাল ০৬:৩০ ঘটিকায় ২ জন এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৬০৮/২৬ মূলে সকাল ০৯:৩৫ ঘটিকায় ২ জন আসামীকে আটক করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৬০৮/২৬ মূলে বিকাল ১৫:৩০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় টমেটোর দোকানের সামনে থেকে ১টি রেডমি মোবাইল ও ২টি করাতের ধারালো ব্লেডসহ মোঃ রিফাত মোল্লা (২২) ও মোঃ রমজান (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৬৭৩/২৬ মূলে যাত্রাবাড়ী গোলচত্বর এলাকায় বাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে আলিফ (২৬), রবিউল (১৯) ও রাকিব (২১)-কে আটক করে পুলিশ। ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (মাদক ও অন্যান্য গ্রেফতার):


২৮ সেপ্টেম্বর জিডি নং-৬৮০/২৬ মূলে রাত ০২:৩০ ঘটিকায় ২ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়। একই দিন জিডি নং-৭০৩ মূলে বিকাল ১৫:৩০ ঘটিকায় পরিচালিত অভিযানে ১৬:০০ ঘটিকায় ২,১২৮ পিস ইয়াবাসহ ১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয় এবং যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-২৮, তারিখ: ২৮/০৯/২০২৬ খ্রি. রুজু হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর জিডি নং ৭১১/২৬ মূলে রাত ০১:৩০ ঘটিকায় আরও ২ জন আসামী গ্রেফতার হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সাইবার মামলার আসামী গ্রেফতার):


২৯ সেপ্টেম্বরের জিডি নং-৭২৬ মূলে ৩০ সেপ্টেম্বর সাইবার সুরক্ষা আইনের নিয়মিত মামলার (রমনা মডেল থানা মামলা নং-১৫, তারিখ: ১৩/০৯/২০২৬ খ্রি.) আসামী ১ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ১টি OPPO A5X ও ১টি INNOVA 30 স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। সিটি-ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস বিভাগ জানিয়েছে, জনস্বার্থে ও ঢাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের এই বিশেষ প্রতিরোধমূলক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে এসআরভি স্টেশনের পরিত্যক্ত ট্রেনের দুটি বগিতে আগুন

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :
চট্টগ্রাম নগরের মাঝিরঘাট বাংলাবাজার এলাকায় এসআরভি স্টেশনের ট্রেনের পরিত্যক্ত দুটি বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকালে নগরীর সদরঘাট থানাধীন মাঝিরঘাট-বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বন্দর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোনেম বিল্লাহ বলেন, বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন এবং সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানান, বগিগুলোর ভেতরে তেমন আসবাব ছিল না। আগুনে একটি বগির আংশিক পুড়ে গেছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। এদিকে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) এসআরবি স্টেশন ফাঁড়ির ইনচার্জ নরেশ চন্দ্র মজুমদার বলেন, এই ইয়ার্ডটিতে মূলত রেলের পরিত্যক্ত বগিগুলো এনে রাখা হয়। তবে চারদিক উন্মুক্ত ও খোলা থাকার কারণে এলাকাটি দিন-রাতে বখাটেদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাথমিকভাবে কোনো নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি বা বখাটে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ভিসা আবেদনকারীদের মিথ্যা তথ্য না দেওয়ার সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার সাক্ষাৎকারে কোনো ধরনের মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না দিতে আবেদনকারীদের সতর্ক করেছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস। শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় দূতাবাস জানায়, ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর অতীতের অভিবাসন-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের তথ্য কনস্যুলার কর্মকর্তাদের কাছে থাকতে পারে। তাই সাক্ষাৎকারে কোনো তথ্য গোপন না করে সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাস আরও জানিয়েছে, কোনো আবেদনকারী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিলে বা জাল নথিপত্র উপস্থাপন করলে তার ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণার কারণে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মতো গুরুতর পরিণতিও হতে পারে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের সব তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তারসহ চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তারসহ পেশাদার চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে কোতোয়ালী থানাধীন কাজীর দেউরী নেভাল এভিনিউ রোডের চিটাগাং অফিসার্স ক্লাবের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. জাকির হোসেন, মো. রানা (২৪) এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশু আসিফ (১৬) ও মো. সাইমন (১৬)। পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৭ এবং এতে দণ্ডবিধির ৪১১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চোর চক্রের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্তে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন: আইনমন্ত্রী

0

দেশের বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে এবং বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জন্য আয়োজিত ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী জানান, অনলাইনে নিবন্ধিত বিয়ে ও তালাকের তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন এবং পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এতে একজন ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থার তথ্য যাচাই সহজ হবে এবং তথ্য গোপনের সুযোগ কমবে। তিনি বলেন, দেশের সব নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীকে ধাপে ধাপে ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিনের প্রভাব ভাঙতে শিগগিরই লটারির মাধ্যমে পদায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

জোরারগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি ছোরা, একটি লম্বা রামদা ও সাতটি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. আনোয়ার হোসেন (২৩), বেলায়েত হোসেন (৩০) এবং মো. আলাউদ্দিন ওরফে মামুন (৩৬)। তারা চট্টগ্রাম ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, জোরারগঞ্জ থানার বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াটিলা থেকে কয়লা বাজারের মধ্যবর্তী এলাকায় সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনা ও ডাকাত দলের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ কারণে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তায় সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে করেরহাট ইউনিয়নের ঘেড়ামারা এলাকার নয়াটিলা মাজারের প্রায় ১০০ গজ পূর্বে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মহাসড়কের পাশে জঙ্গলের মধ্যে মুখোশ পরিহিত ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি দলকে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দলটির সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চারটি ছোরা, একটি লম্বা রামদা ও সাতটি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্রসহ সেখানে জড়ো হয়েছিল। তদন্তে গ্রেপ্তার তিনজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে তথ্য পাওয়া গেছে। পলাতক দলের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আলাউদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাতেও তার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তারসহ চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তারসহ পেশাদার চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে কোতোয়ালী থানার একটি আভিযানিক দল কাজীর দেউরী নেভাল এভিনিউ রোডে চিটাগাং অফিসার্স ক্লাবের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. জাকির হোসেন, মো. রানা এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশু আসিফ (১৬) ও মো. সাইমনকে (১৬) গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে চোরাইকৃত ১৫ কেজি বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা করা হয়েছে। ২ অক্টোবর দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৭ এবং এতে দণ্ডবিধির ৪১১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আরও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

খুঁটিতে বাঁধা বাবাকে চা-রুটি খাওয়ানো সেই তুবা ফিরল বিদ্যালয়ে

বরিশালের উজিরপুরে চোর সন্দেহে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে চা-রুটি খাইয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসা শিশু তুবা আবার বিদ্যালয়ে ফিরেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার উদ্যোগ ও সহায়তায় চার মাস পর বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরেছে চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বামরাইলে তুবার বাড়িতে যান ইউএনও মো. আলী সুজা। পরে তিনি নিজেই তুবাকে বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীরা তুবাকে স্বাগত জানায়। তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, তার মেয়ে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত। নানা কারণে গত চার মাস ধরে সে বিদ্যালয়ে যেতে পারছিল না। ইউএনওর সহযোগিতায় অবশেষে তুবা আবার বিদ্যালয়ে ফিরেছে। ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, তুবা এতদিন বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি—বিষয়টি দুঃখজনক। তাই তিনি নিজেই তুবাকে বিদ্যালয়ে নিয়ে এসেছেন। তার পড়াশোনা যাতে আর বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। তিনি আরও জানান, তুবার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য রিহ্যাবে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার পড়াশোনা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইলে কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদার নামের এক যুবককে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ সময় হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবা অনিক সরদারকে তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে তুবা চা-রুটি খাওয়ায়। সেই দৃশ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। এরপর তুবার বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ থাকার বিষয়টি সামনে আসে। চার মাস পর প্রশাসনের উদ্যোগে আবারও বিদ্যালয়ে ফিরেছে শিশুটি।

ফটিকছড়িতে দুই মন্দিরে চুরির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৃথক দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া বিভিন্ন মালামাল, নগদ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফটিকছড়ি থানাধীন সুন্দরপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন শ্রী শ্রী শিব ও মগধেশ্বরী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। এর কয়েকদিন পর ৩০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে লেলাং ইউনিয়নের শ্রী শ্রী মা মঙ্গল চণ্ডী মন্দিরেও চুরি হয়। পৃথক এসব ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় মামলা করা হয়। ঘটনার পর ফটিকছড়ি থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে চুরি হওয়া মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে—৩টি পিতলের ঘট, ২টি পিতলের পঞ্চবটি প্রদীপ, ২টি ত্রিশূল, ১টি পিতলের ঘণ্টা, ৬টি পিতলের সরই, ৬টি স্টিলের ছোট-বড় প্লেট, ২টি চামচ, ১টি পিতলের বড় ঘট, ২টি পিতলের কোষা, ১টি বদনা, ১টি কাঁসার গামলা, ১টি গ্লাস, ৬টি পিতলের ছোট থালা, ১টি আরতি, ১টি দুর্গামূর্তি, ৪টি পিতলের বাটি, প্রণামী বক্সে থাকা ১ হাজার ২০০ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি সিএনজি। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ ইউসুফ (৩২), মোঃ হাশেম (৪২), মোঃ সাহাব উদ্দিন (৪১) এবং রুহুল আমিন (২৯)। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের দানবাক্সসহ অন্যান্য মালামাল চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং চক্রটির কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে চুরি প্রতিরোধে নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।