
-মো.রাকিব :
চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনে এক নতুন আলো ছড়াতে যাচ্ছে একটি অনন্য আয়োজন—
বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, ওমান প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সাদা কালো মাল্টিমিডিয়া চেয়ারম্যান, জনপ্রিয় সংবাদপত্র “চট্রল চিত্র”-এর কর্ণধার এবং ইংরেজি দৈনিক “টুরিস্ট পত্রিকা”, “দৈনিক ভোরের আওয়াজ” ও সংশ্লিষ্ট ইউটিউব চ্যানেলগুলোর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক রবিউল হোসেন-কে দেওয়া হবে এক বনাঢ্য গণসংবর্ধনা। এই সংবর্ধনা শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং এক প্রেরণাকে, এক সংগ্রামী চেতনার প্রতীককে সম্মান জানানো। কারণ রবিউল হোসেন হচ্ছেন সেই বিরল মানুষদের একজন, যিনি প্রবাসে থেকেও আপন মাটির গন্ধ ভুলে যাননি; বরং নিজের ঘাম ও শ্রম দিয়ে উপার্জিত অর্থ, মেধা ও সময় ব্যয় করেছেন সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবকল্যাণে। রবিউল হোসেন: প্রবাস জীবনের সংগ্রাম থেকে স্বপ্নের পথে-ওমানের বালুকাবেলায় শুরু হয়েছিল রবিউল হোসেনের জীবনযুদ্ধের আরেক অধ্যায়। কঠোর পরিশ্রম, সততা ও দায়িত্ববোধকে সঙ্গী করে ধীরে ধীরে তিনি গড়ে তোলেন নিজের অবস্থান। আজ তিনি শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী নন, বরং একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা, যিনি দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ওমানের প্রবাসীদের মাঝে তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে নানা সমাজসেবামূলক উদ্যোগ, যেখানে প্রবাসীরা একত্রিত হয়ে দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখেন। “কালো মাল্টিমিডিয়া” থেকে “চট্রল চিত্র”: গণমাধ্যমে অবদান-গণমাধ্যমের প্রতি রবিউল হোসেনের ভালোবাসা সীমাহীন। তিনি বিশ্বাস করেন, শক্তিশালী গণমাধ্যমই সমাজ পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার। তাঁর প্রতিষ্ঠিত “কালো মাল্টিমিডিয়া” ও “চট্রল চিত্র” বর্তমানে চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা জগতে এক পরিচিত নাম।
তাছাড়া ইংরেজি দৈনিক “টুরিস্ট পত্রিকা” ও বাংলা দৈনিক “ভোরের আওয়াজ”-এর পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি গণমাধ্যমের বিকাশে অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। ইউটিউব প্ল্যাটফর্মেও তাঁর সহায়তায় অনেক তরুণ সাংবাদিক ও কনটেন্ট নির্মাতা আজ নিজেদের পরিচিতি তৈরি করতে পেরেছেন। রবিউল হোসেনের কাছে সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি মানুষের মনের কথা বলার, সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর এক অবিচল মঞ্চ। বোয়ালখালীর কৃতি সন্তান: উন্নয়নের স্বপ্নে পথচলা-চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর সন্তান রবিউল হোসেন শৈশব থেকেই সমাজ ও এলাকার প্রতি দায়বদ্ধ ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন—বোয়ালখালীকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি বিশ্বাস করেন, “উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা বা ভবন নয়; উন্নয়ন মানে সচেতন মানুষ, শিক্ষিত সমাজ ও সৎ নেতৃত্ব।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি নানামুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, কৃষি উন্নয়ন, এবং তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ। নতুন দিগন্তের সূচনা: শিপিং ও এগ্রিকালচার উদ্যোগ- বর্তমানে তিনি- তাইফ আল জান্নাহ
শিপিং কোম্পানি লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছেন। একইসঙ্গে “বরুমতি বহুমুখী এগ্রিকালচার ফার্মিং লিমিটেড (প্রস্তাবিত)”-এর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন—যা চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানই শুধু ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, বরং কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাস্তব পদক্ষেপ। সমাজসেবক ও মানবিক রবিউল-রবিউল হোসেনের মানবিক পরিচয়ই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। প্রবাসে থেকেও তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা দেন। তাঁর এই মানবিক ভূমিকার কারণেই চট্টগ্রামের মানুষ তাঁকে শুধু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে নয়, একজন সমাজসেবক, একজন শুভানুধ্যায়ী ও গণমানুষের বন্ধু হিসেবে দেখে।
আসন্ন গণসংবর্ধনা: চট্টগ্রামের কৃতজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি- রবিউল হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবেই চট্টগ্রামবাসী তাঁকে দিচ্ছে এক বনাঢ্য গণসংবর্ধনা। এই সংবর্ধনায় উপস্থিত থাকবেন দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, সমাজসেবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
সবাই একমত—রবিউল হোসেন কেবল একজন সফল মানুষ নন, তিনি অনুপ্রেরণার নাম। গণসংবর্ধনার আয়োজকরা বলছেন, “এই সংবর্ধনা হবে এমন এক মুহূর্ত, যখন চট্টগ্রামবাসী তাদের এক প্রবাসী সন্তানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে—যিনি দূর দেশে থেকেও নিজের শহরের উন্নয়ন ও সংস্কৃতির স্বপ্ন বুকে ধারণ করেছেন।” রবিউল হোসেন—এক স্বপ্নবাজের গল্প- রবিউল হোসেনের জীবন যেন এক শিক্ষণীয় কাব্য—যেখানে আছে সংগ্রাম, সততা, প্রেরণা ও সাফল্যের সংমিশ্রণ। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন—“নিজের মাটি, নিজের মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত দেশপ্রেম।” তিনি প্রমাণ করেছেন, বিদেশে থেকেও দেশের জন্য কাজ করা যায়; সুযোগ থাকলেই নয়, ইচ্ছা থাকলেই পথ তৈরি হয়। চট্টগ্রামের মানুষ তাই গর্বিত হয়ে বলে—
“রবিউল হোসেন আমাদের, চট্টগ্রামের, বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল মুখ।” এই সংবর্ধনা শুধু একজন মানুষকে সম্মান জানানো নয়, বরং সমাজের প্রতিটি তরুণকে প্রেরণা দেওয়া—
যাতে তারাও শেখে, কষ্ট করে অর্জন করতে হয়, আর অর্জন দিয়ে সমাজকে ফেরত দিতে হয় কিছু। রবিউল হোসেন যেন তাঁর স্বপ্ন, সততা ও সেবার আলো দিয়ে আরও বহু মানুষের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে পারেন—
এই কামনাই চট্টগ্রামবাসীর।