যশোর থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, আটক পাঁচ সহযোগী

By admin
3 Min Read

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ সহযোগীকেও আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি জানান, অভিযানে ডেভিড ইমনসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক হওয়া পাঁচ সহযোগীই অস্ত্রধারী শুটার হিসেবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তাঁর নাম বারবার উঠে আসে।

কে এই ডেভিড ইমন?

মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্যমতে, তিনি ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া এলাকায় সংঘটিত আলোচিত জোড়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। এছাড়া একই বছরের ২৩ মে রাতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সংঘটিত সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে। এসবসহ বিভিন্ন অপরাধে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ডেভিড ইমন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণে ১৫ থেকে ২০টি অস্ত্র ছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। বাকলিয়ার জোড়া হত্যা মামলায় হামলাকারী সন্ত্রাসীদের সমন্বয় এবং মোটরসাইকেল সরবরাহের দায়িত্বও তিনি পালন করেছিলেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

Contents
নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ সহযোগীকেও আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি জানান, অভিযানে ডেভিড ইমনসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটক হওয়া পাঁচ সহযোগীই অস্ত্রধারী শুটার হিসেবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তাঁর নাম বারবার উঠে আসে।কে এই ডেভিড ইমন?বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন

বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন

পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধচক্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দুজন। তাঁদের একজন ছিলেন ডেভিড ইমন, অন্যজন মোহাম্মদ রায়হান। এর আগে একই চক্রের নেতৃত্বে ছিলেন ছোট সাজ্জাদ, যিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বড় সাজ্জাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করত বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্রের মূল সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ডেভিড ইমন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তের মাধ্যমে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Share This Article
Leave a Comment