
তরুণ লেখক মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিকের ‘আরবে মুসাফির’—প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা |
সাহিত্য মানুষের মনের দরজা খুলে দেয়, অজানাকে জানার সুযোগ করে দেয় এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে রূপ দেয় স্মরণীয় কথামালায়। সেই সৃষ্টিশীল প্রয়াসেরই এক নতুন সংযোজন তরুণ লেখক মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিকের ‘আরবে মুসাফির’ গ্রন্থ। একটি বই প্রকাশের আনন্দ শুধু লেখক কিংবা প্রকাশকের একার নয়—এটি পাঠক, সাহিত্যপ্রেমী এবং শুভানুধ্যায়ীদের জন্যও আনন্দের উপলক্ষ। একজন লেখকের দীর্ঘ ভাবনা, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও সৃজনশীলতার ফসল যখন মুদ্রিত অক্ষরে পাঠকের হাতে পৌঁছে যায়, তখন সেটি হয়ে ওঠে সাহিত্যজগতের জন্য একটি নতুন সংযোজন। ‘আরবে মুসাফির’ সেই প্রত্যাশা ও ভালোবাসারই একটি প্রতিচ্ছবি। পূর্বাশার আলো ও স্বপ্নেরবীর-এর প্রতিষ্ঠাতা তরুণ লেখক মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিকের এই গ্রন্থ প্রকাশকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি তাই নিছক একটি প্রকাশনা অনুষ্ঠান নয়; বরং সাহিত্য, সংস্কৃতি, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মানুষের মধ্যে এক সুন্দর মিলনমেলা। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মো. মাহফুজুর রহমান, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার, কোতোয়ালি জোন এবং সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।
আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায়, চট্টগ্রামের লালখান বাজারের পিটস্টপ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই বহুল প্রত্যাশিত প্রকাশনা অনুষ্ঠান। আয়োজনে রয়েছে ‘পূর্বাশার আলো পরিবার’।
নতুন লেখকের নতুন পথচলা
একজন লেখকের জন্য নিজের বই প্রকাশের মুহূর্ত নিঃসন্দেহে জীবনের অন্যতম আনন্দঘন অধ্যায়। ‘আরবে মুসাফির’ যেন লেখকের সেই স্বপ্নযাত্রার প্রথম সারির একটি মাইলফলক হয়ে থাকে—এই প্রত্যাশা। বইটি পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিক, লেখকের কলম আরও শক্তিশালী হোক, তাঁর সৃজনশীলতার পরিধি আরও বিস্তৃত হোক এবং আগামী দিনে তাঁর কাছ থেকে আমরা আরও সমৃদ্ধ সাহিত্যকর্ম উপহার পাই—এই আমাদের আন্তরিক প্রত্যাশা। ‘আরবে মুসাফির’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান সর্বাঙ্গীণভাবে সফল ও সার্থক হোক। লেখকের সাহিত্যযাত্রা হোক দীর্ঘ, সুন্দর ও আলোকিত। মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিকের কলমে জ্বলে উঠুক নতুন দিনের প্রত্যাশা—আর তাঁর ‘আরবে মুসাফির’ হয়ে উঠুক পাঠকের প্রিয় এক গ্রন্থ।
আয়োজক ‘পূর্বাশার আলো পরিবার’-কে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
সাহিত্য বেঁচে থাকুক, বইয়ের আলো ছড়িয়ে পড়ুক—প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।