দূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-

By admin
11 Min Read

একটি হাসি, দুই ঘণ্টা, একটি কলম—শারজাহ বিমানবন্দরে মুনা উইলসনের সঙ্গে সেই মায়াবী সাক্ষাৎ

কিছু মানুষকে আমরা খুঁজে পাই না—জীবনই তাদের হঠাৎ আমাদের সামনে এনে দাঁড় করায়। কিছু সাক্ষাৎ কয়েক মিনিটের, অথচ তার রেশ থেকে যায় বহু বছর। আর কিছু হাসি—কথা শুরুর আগেই একটি গল্পের জন্ম দেয়। জীবন আসলে কত বিচিত্র! আমরা প্রতিদিন কত মানুষের পাশ দিয়ে হেঁটে যাই। বিমানবন্দরে, রেলস্টেশনে, রাস্তায়, হোটেলের লবিতে কিংবা কোনো কফিশপের এক কোণে—হাজারো মুখ আমাদের চোখের সামনে আসে, আবার হারিয়ে যায়। তাদের অধিকাংশের নাম আমরা জানি না, গল্প জানি না, স্বপ্ন জানি না। কিন্তু কখনো কখনো সেই অগণিত মুখের ভিড় থেকে একজন মানুষ হঠাৎ আলাদা হয়ে ওঠেন—কোনো পরিচয় ছাড়াই, কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই; শুধু একটি দৃষ্টি, একটি হাসি কিংবা কয়েকটি সহজ কথার মধ্য দিয়ে। মুনা উইলসনের সঙ্গে আমার পরিচয় ঠিক তেমনই একটি গল্প। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০—একটি তারিখ, একটি বিমানবন্দর, একটি অপ্রত্যাশিত গল্প। দুবাইয়ে আমার ১৫ দিনের সফর শেষ। বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি। গন্তব্য—শারজাহ বিমানবন্দর। ভ্রমণের শেষ প্রান্তে এসে মানুষের মনটাও যেন একটু অন্যরকম হয়ে যায়। কয়েক দিনের ব্যস্ততা, পরিচিত-অপরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা, নতুন শহর দেখা, নতুন অভিজ্ঞতা—সবকিছু ধীরে ধীরে স্মৃতির বাক্সে ঢুকে যেতে থাকে। বিমানবন্দর তখন স্বভাবসিদ্ধ ব্যস্ততায় পূর্ণ। কেউ লাগেজ টেনে ছুটছেন, কেউ বোর্ডিং পাস খুঁজছেন, কেউ ফোনে শেষ মুহূর্তের কথা বলছেন, কেউ প্রিয়জনকে বিদায় জানাচ্ছেন, আবার কেউ নতুন কোনো গন্তব্যের স্বপ্ন নিয়ে অপেক্ষা করছেন। পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ যেন একই ছাদের নিচে এসে দাঁড়িয়েছে। সেই ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ একজন তরুণীর সঙ্গে আমার চোখাচোখি হলো। তিনি তাকালেন। আমি তাকালাম। তারপর একটি মিষ্টি হাসি। আমিও হাসলাম। আবার চোখাচোখি। সেই হাসির মধ্যে কী ছিল জানি না। তবে এতটুকু বুঝেছিলাম—অচেনা হয়েও মানুষটি যেন খুব সহজে পরিচিত হয়ে উঠছেন। একটি হাসি কখনো কখনো পরিচয়ের সবচেয়ে সুন্দর ভাষা। সেদিনও তাই হয়েছিল। অচেনা থেকে পরিচিত। কিছুক্ষণ পর কথার সূত্রপাত। জানলাম তাঁর নাম মুনা উইলসন। লন্ডনের তরুণী ব্যবসায়ী। শুধু ব্যবসায়ীই নন—তিনি একজন বিশ্বপরিব্রাজকও। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়ানো তাঁর এক ধরনের নেশা। নতুন শহর, নতুন দেশ, নতুন সংস্কৃতি, নতুন মানুষ—সবকিছুর প্রতি তাঁর প্রবল কৌতূহল। আমি পেশায় লেখক, সাংবাদিক, গবেষক ও টেলিভিশন উপস্থাপক। মানুষের গল্প আমার কাছে সবসময়ই আকর্ষণীয়। তাই অচেনা মানুষটির সঙ্গে কয়েক মিনিটের আলাপের মধ্যেই আমার ভেতরের সাংবাদিকটি জেগে উঠল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন এল—“আপনি এত ভ্রমণ করেন কেন?” মুনা হাসলেন। সেই হাসি ছিল খুব স্বাভাবিক, খুব নির্মল। তারপর বলতে শুরু করলেন। কথা বলার মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া ছিল না, ছিল না নিজেকে বড় করে দেখানোর কোনো চেষ্টা। বরং ছিল নিজের জীবনকে নিজের চোখে দেখার এক স্বচ্ছতা। আমি প্রশ্ন করছিলাম, তিনি উত্তর দিচ্ছিলেন। আর প্রতিটি উত্তরের সঙ্গে যেন তাঁর জীবনের আরেকটি দরজা খুলে যাচ্ছিল। শিক্ষা থেকে স্বপ্ন—নিজের পথ নিজেই তৈরি করার গল্প। আমাদের আলাপের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল তাঁর শিক্ষাজীবন। কীভাবে পড়াশোনার সময় থেকেই ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন, কীভাবে শিক্ষা তাঁর চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করেছে, কীভাবে আত্মবিশ্বাস তাঁকে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে শিখিয়েছে—এসব নিয়েই কথা হলো। আমার কাছে তাঁর গল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল—তিনি জীবনের জন্য অন্য কারও তৈরি পথ অনুসরণ করতে চাননি। নিজের পথ নিজেই তৈরি করতে চেয়েছেন। আর সেই পথের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে ব্যবসা ও ভ্রমণ। একজন তরুণী হিসেবে ব্যবসার জগতে নিজের জায়গা তৈরি করা সহজ নয়। নতুন বাজার, নতুন মানুষ, নতুন পরিবেশ—প্রতিটি জায়গাতেই আলাদা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু মুনার কথায় মনে হলো, চ্যালেঞ্জ তাঁকে ভয় দেখায় না; বরং নতুন চ্যালেঞ্জই তাঁকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। ব্যবসা—শুধু অর্থ নয়, মানুষের সঙ্গে সম্পর্কেরও নাম। ব্যবসা নিয়ে আমাদের আলোচনা বেশ দীর্ঘ হলো। নতুন বাজারের সন্ধান, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়িক সংস্কৃতি, নতুন সুযোগ তৈরি করা—সবকিছু নিয়েই তাঁর ভাবনা ছিল স্পষ্ট। আমি লক্ষ্য করছিলাম—মুনার কাছে ব্যবসা কেবল লাভ-ক্ষতির হিসাব নয়। ব্যবসার সঙ্গে তিনি মানুষকে দেখেন, মানুষের প্রয়োজনকে বোঝেন, সংস্কৃতিকে বোঝেন এবং পৃথিবীর পরিবর্তনশীল বাজারকে বোঝার চেষ্টা করেন। একজন তরুণী কীভাবে নিজের আত্মবিশ্বাস দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে এগিয়ে যেতে চান—তাঁর কথায় সেই আকাঙ্ক্ষার ছাপ স্পষ্ট ছিল। তারপর ভ্রমণ—পৃথিবী যেন তাঁর খোলা বই। কথার মোড় ঘুরতেই আবার ফিরে এল ভ্রমণ। আমি জানতে চাইলাম—“এত দেশ ঘুরে কী পেয়েছেন?” এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে আজও মনে থাকার মতো। কারণ তাঁর কথার ভেতর দিয়ে আমি শুধু একজন পর্যটককে দেখিনি; দেখেছি একজন মানুষকে, যিনি পৃথিবীকে বইয়ের পাতার বাইরে গিয়ে পড়তে চান। একটি দেশকে শুধু তার বিখ্যাত স্থাপনা দিয়ে চেনা যায় না। একটি শহরকে শুধু তার রাস্তা দিয়ে বোঝা যায় না। একটি জাতিকে শুধু তার ইতিহাস দিয়ে বিচার করা যায় না। মানুষকে বুঝতে হলে মানুষের কাছে যেতে হয়। তাদের সঙ্গে বসতে হয়। তাদের গল্প শুনতে হয়। তাদের হাসি-কান্না দেখতে হয়। মুনার ভ্রমণ যেন সেই মানুষ-অন্বেষণেরই এক দীর্ঘ অধ্যায়। তাঁর কাছে পৃথিবী ছিল শুধু গন্তব্যের তালিকা নয়—পৃথিবী ছিল অভিজ্ঞতার এক বিশাল বিদ্যালয়। যেখানে সাক্ষাৎকার শেষ, সেখানে শুরু হলো আড্ডা। আমি জানি না কখন আমার সাংবাদিকতার প্রশ্নগুলো একটু একটু করে বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপে পরিণত হয়েছিল। প্রথমে ছিল—“আপনার কাজ কী?” “কোথায় পড়েছেন?” “কত দেশ ঘুরেছেন?” “ব্যবসায় কীভাবে এসেছেন?” তারপর প্রশ্নগুলো আর প্রশ্ন থাকল না। হয়ে গেল গল্প। আমরা হাসলাম। মজা করলাম। জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বললাম। কখনো তিনি আমার কোনো কথায় হেসে উঠলেন, কখনো আমি তাঁর কোনো গল্প শুনে মুগ্ধ হলাম। সাংবাদিক ও সাক্ষাৎকারদাতার আনুষ্ঠানিক দূরত্ব কখন যে কোথায় হারিয়ে গেল—তা আর বোঝা গেল না। অচেনা দুজন মানুষ যেন হঠাৎ দুজন গল্পের মানুষ হয়ে উঠলাম। প্রেম ও ভালোবাসা—কথার ভেতর এক নরম অধ্যায়। দীর্ঘ আলাপের একপর্যায়ে স্বাভাবিকভাবেই চলে এলো ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক, প্রেম ও ভালোবাসার প্রসঙ্গ। সেখানে মুনার হাসি যেন একটু বদলে গেল—আরও কোমল, আরও মায়াময়। কিছু প্রশ্নের উত্তর দিলেন সরাসরি, কিছু প্রশ্নের উত্তর এলো হাসিতে, কিছু কথা রয়ে গেল ইঙ্গিতে। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি প্রশ্ন করেছি। কিন্তু একজন লেখক হিসেবে আমি শুধু তাঁর কথাগুলো শুনিনি—কথার আড়ালে থাকা অনুভূতিগুলোও বোঝার চেষ্টা করেছি। কারণ মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো অনেক সময় মুখে বলা হয় না। চোখ বলে, হাসি বলে, নীরবতা বলে। মুনার ক্ষেত্রেও হয়তো তার ব্যতিক্রম ছিল না। দুই ঘণ্টা—কিন্তু মনে হলো সময় যেন থেমে আছে। বিমানবন্দরের ঘড়ি তার নিয়মে চলছিল। কিন্তু আমাদের আড্ডার মধ্যে সময় যেন অন্য কোনো নিয়ম মেনে চলছিল। এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। দেড় ঘণ্টা। তারপর প্রায় দুই ঘণ্টা। আমরা কেউই টের পেলাম না। চারপাশে মানুষ বদলে যাচ্ছে। কেউ বিমানে উঠছে, কেউ চলে যাচ্ছে, কেউ নতুন করে আসছে। কিন্তু আমাদের কথার জগতে যেন সময় স্থির। বিমানবন্দরের হাজারো মানুষের ভিড়ের মধ্যে আমরা যেন নিজেদের জন্য এক ছোট্ট পৃথিবী তৈরি করে নিয়েছিলাম। সেখানে ছিল—ভ্রমণ, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বপ্ন, জীবন, ভালোবাসা, হাসি আর অজস্র গল্প। বিদায়ের মুহূর্ত—একটি কলম, একটি কপি। শেষ পর্যন্ত বিদায়ের সময় এলো। প্রত্যেক সুন্দর সাক্ষাতের মতো এই সাক্ষাতেরও একসময় বিদায় নিতে হলো। বিদায়ের আগে মুনা আমাকে উপহার দিলেন—একটি কলম এবং একটি কপি। সাধারণ চোখে এগুলো হয়তো খুব সাধারণ উপহার। কিন্তু আমার মতো একজন লেখকের কাছে একটি কলম কখনো সাধারণ নয়। কলম আমার জীবনের সঙ্গী। কলম দিয়ে আমি মানুষের কথা লিখি। কলম দিয়ে স্মৃতি ধরে রাখি। কলম দিয়ে কখনো প্রতিবাদ করি, কখনো ভালোবাসার কথা বলি, কখনো ইতিহাসের কাছে সময়কে সাক্ষ্য দিই। তাই মুনার দেওয়া সেই কলম আমার কাছে শুধু একটি উপহার নয়। এটি হয়ে গেল একটি সাক্ষাতের স্মারক, একটি অপ্রত্যাশিত পরিচয়ের চিহ্ন এবং একটি বিমানবন্দরের দুই ঘণ্টাকে ধরে রাখার ছোট্ট অথচ মূল্যবান প্রতীক। বছর পেরিয়ে যায়, কিছু স্মৃতি পেরোয় না। ২০২০ থেকে ২০২৬। সময় অনেকটা এগিয়ে গেছে। জীবনে কত ঘটনা ঘটেছে। কত মানুষ এসেছেন, কত মানুষ চলে গেছেন। কত শহর দেখেছি। কত গল্প লিখেছি। কত মুখ ক্যামেরার সামনে এসেছে। কত মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। তবুও শারজাহ বিমানবন্দরের সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আজও একটি মৃদু হাসি মুখে চলে আসে। মনে হয়—সেদিন যদি চোখাচোখি না হতো? যদি সেই হাসিটি না আসত? যদি আমি কথাটি না বলতাম? যদি তিনি উত্তর না দিতেন? তাহলে হয়তো মুনা উইলসন আমার জীবনের গল্পের একটি চরিত্র হয়ে উঠতেন না। জীবন কখনো কখনো কত অদ্ভুতভাবে গল্প লিখে! আমরা কলম হাতে নিয়ে গল্প লিখি। আর জীবন নিজেই আমাদের জন্য আরও সুন্দর গল্প লিখে রাখে। ভ্রমণের আসল সৌন্দর্য কোথায়? বহু বছর ভ্রমণ করতে করতে আমি একটি বিষয় বুঝেছি—ভ্রমণ শুধু নতুন জায়গা দেখা নয়। ভ্রমণ মানে নতুন মানুষ দেখা। নতুন চিন্তার সঙ্গে পরিচিত হওয়া। নিজের পরিচিত পৃথিবীর বাইরে আরেকটি পৃথিবীকে অনুভব করা। কখনো একটি শহর আমাদের মনে থাকে। কখনো একটি পাহাড়। কখনো কোনো সমুদ্রের ঢেউ। আবার কখনো একজন অচেনা মানুষের হাসি। আমার কাছে মুনা উইলসনের সেই হাসিটিও তেমনই একটি ভ্রমণস্মৃতি। শেষ কথা—কিছু মানুষ গল্প হয়ে থেকে যায়। আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে মনে হয়, শারজাহ বিমানবন্দরের সেই সাক্ষাৎ আসলে কোনো সাধারণ সাক্ষাৎ ছিল না। সেটি ছিল জীবনের দেওয়া একটি ছোট্ট উপহার। একজন লন্ডনি তরুণী ব্যবসায়ী, একজন বিশ্বপরিব্রাজক, একজন স্বপ্নবান মানুষ এবং একজন লেখক-সাংবাদিকের সঙ্গে তাঁর আকস্মিক পরিচয়—দুই ঘণ্টার কথোপকথন, একটি কলম, একটি কপি আর একটি স্মৃতি; সব মিলিয়ে একটি গল্প। মুনা উইলসন—আপনি হয়তো জানেন না, কিন্তু আপনার সঙ্গে সেই আকস্মিক সাক্ষাৎ আমার স্মৃতির ভেতর আজও জীবন্ত। পৃথিবীর পথে আমরা সবাই যাত্রী। কেউ আগে নামে, কেউ পরে। কেউ কয়েক স্টেশন পাশাপাশি বসে থাকে। কেউ শুধু একবার চোখাচোখি করে চলে যায়। কিন্তু কিছু মানুষ—একবার দেখা দিয়েই আজীবনের গল্প হয়ে যায়। মুনা উইলসন তেমনই একজন। শারজাহ বিমানবন্দরের ব্যস্ততার মধ্যে পাওয়া আমার সেই দুই ঘণ্টার মধুময় গল্প আজও আমার ভ্রমণস্মৃতির এক উজ্জ্বল অধ্যায়। হয়তো পৃথিবীর মানচিত্রে শারজাহ একটি ছোট্ট বিন্দু। কিন্তু আমার স্মৃতির মানচিত্রে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০-এর সেই শারজাহ বিমানবন্দর একটি পূর্ণাঙ্গ গল্প। একটি হাসির গল্প, একটি পরিচয়ের গল্প, একটি দীর্ঘ আড্ডার গল্প, একটি কলমের গল্প—আর সবচেয়ে বেশি, দুজন অচেনা মানুষের হঠাৎ পরিচিত হয়ে ওঠার গল্প। —মো. কামাল উদ্দিন | লেখক | সাংবাদিক | গবেষক | টেলিভিশন উপস্থাপক

Share This Article
Leave a Comment