ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

By admin
2 Min Read

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠক শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত রয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এবং এ-সংক্রান্ত সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর তাঁর অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে। ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এই তফসিল প্রকাশ করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অংশ নেবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। তবে একটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। ঘোষিত তফসিলে মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণের তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে। আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। একই সঙ্গে প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষরও থাকতে হবে।একাধিক প্রার্থী হলে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। আর সমান ভোট পড়লে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে।

Share This Article
Leave a Comment