
রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজ হত্যাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শ্যুটার মো. চঞ্চল মোল্যার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (২৫ জুলাই) কাফরুল থানার অস্ত্র আইনের মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এ রিমান্ডের আদেশ দেন। এদিন আসামি চঞ্চল মোল্যাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক ইউসুফ আলী ভূইয়া তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে কাফরুল থানাধীন এলাকায় একই থানার বিএনপির সদস্য সচিব মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু ও ভিকটিম ইউসুফসহ অন্যান্য লোকজন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতেছিল। এই সময় আসামি চঞ্চল ও তার সহযোগী পলাতক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। গুলি ইউসুফের বুকের ডান পাশে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে লোকজন আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে ছুটাছুটি করলে আসামিরা এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষণ করতে থাকেন। এলোপাথাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। উপস্থিত লোকজন গুলিবিদ্ধ ভিকটিম ইউসুফ, নালাম সরদার ও মনিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখানে মো. ইউসুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তবে পালাতে গেলে কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৩ নামক দোকানের সামনে আসামি চঞ্চল মোল্যাকে উপস্থিত লোকজন অস্ত্র-গুলিসহ আটক করে গণপিটুনী দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেন। তখন তার দেহ তল্লাশিকালে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এসময় জিজ্ঞাসাবাদে আসামি চঞ্চল নিজের পরিচয় জানান। পাশাপিাশি জিহাদ মোল্লা, মো. জিয়ারুল ও হাসানসহ অজ্ঞাতদের নাম প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।