সুপ্রিম কোর্টের লিভ অনুমোদন: চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির কার্যক্রম আপাতত বহাল, এক্সিকিউটিভ কমিটির ওপর স্থগিতাদেশ স্থগিত

By admin
2 Min Read

ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি আপাতত তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে। এটি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সম্মানিত অ্যাপেলেট ডিভিশন। ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট ডিভিশনের ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের রায় ও আদেশের কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়ে চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির এক্সিকিউটিভ কমিটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় এবং Writ Respondent নং ৪ কে সমিতির প্রশাসক/ইন্টারিম কমিটি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। এটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠান (রেজিস্ট্রেশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৯(১) এবং ৯(২) অনুযায়ী করা হয়েছিল। প্রফেসর জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সমিতির বর্তমান কমিটির পক্ষে, সুপ্রিম কোর্টে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু অ্যাপিল নং ২০৮০/২০২৫ দায়ের করেন। তার পক্ষে এ.কে.এম. নুরুল আলম, অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পিটিশনে হাইকোর্ট ডিভিশনের রায় চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং কমিটির কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি আপিলের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আবেদন করা হয়।আদালতের শুনানিতে উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয় এবং এর ফলস্বরূপ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপেলেট ডিভিশন লিভ অনুমোদন প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে হাইকোর্টের রায় আপাতত কার্যকর হবে না, এবং চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির কমিটি তাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছে। আইনজীবী এ.কে.এম. নুরুল আলম সাংবাদিকদের জানান, “সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতের আপিল প্রক্রিয়ার জন্য পথ সুগম করবে।” চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতি দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং স্থানীয়ভাবে ডায়বেটিস রোগীদের সহায়তায় বিভিন্ন সামাজিক, চিকিৎসা ও শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। সাম্প্রতিক বিতর্ক এবং স্থগিতাদেশের কারণে সমিতির কার্যক্রম কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের মাধ্যমে সমিতির স্বচ্ছতা ও ন্যায়সঙ্গত কার্যক্রম বজায় থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ডায়বেটিস সমিতির কার্যক্রম ও এক্সিকিউটিভ কমিটির দায়িত্ববোধ পুনরায় নিশ্চিত হলো। এটি সমিতির সদস্য, রোগী ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য একটি সান্ত্বনাদায়ক সংবাদ।

Share This Article
Leave a Comment