মো.কামাল উদ্দিনঃ
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে যে সমস্ত আহ্বায়ক ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তা কেন্দ্রীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও অনুমোদন ছাড়াই সম্পন্ন হয়। গঠনতন্ত্রের ১৩ (ক) ১১ এবং ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এসব কমিটি অনুমোদনের একচ্ছত্র অধিকার কেবল সভাপতি মহোদয়ের। সাধারণ সম্পাদকের একক সিদ্ধান্তে প্রদত্ত এসব কমিটি তাই গঠনতন্ত্রবিরোধী এবং সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। আমি নিজেও এধরনের এক প্রহসনের শিকার। আমাকে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একটি জেলা সম্মেলনে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা গঠনতন্ত্র সম্মতভাবে হয়েছিল বলে আমি বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সেই কমিটি বাতিল করে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগরে কোনো সম্মেলন আয়োজিত হয়নি। বরং সাধারণ সম্পাদক নিজে থেকেই গোপনে একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করেন, যা গঠনতান্ত্রিক সম্মেলন ছাড়া এবং কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমোদন ব্যতীত গঠিত। এভাবে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে যদি ব্যক্তি বিশেষ নিজের স্বার্থে কমিটি গঠন করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্তৃত্ব ধরে রাখার অপচেষ্টা চালান, তবে তা শুধু সংগঠনের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং বঙ্গবন্ধুর নামেও অসম্মানস্বরূপ হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ সিআইপি যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে এসব অগঠনতান্ত্রিক কমিটি বাতিল করে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা সময়োচিত ও সাহসিকতার পরিচায়ক। সংগঠনের ভেতরে গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের পদক্ষেপ জরুরি। আমার আহবান কমিটি বাতিলের স্বারক নং ও তারিখ উল্লেখ করে মূলকথা গুলো লিখে দেন, তারা আমাকে বাতিল করার কারন ছিল আমি কখনো আওয়ামী লীগ বা ছাত্র লীগ যুব লীগ করেনি- আমাকে শুধু সম্মেলনের জন্য সৌজন্যে মূলক দায়িত্ব দিয়েছে ক্ষণিকের জন্য।