চট্টগ্রামে টোকেন বাণিজ্য ও অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে সিএমপির কঠোর অবস্থান

By admin
2 Min Read

 মো. সাইফুল ইসলাম,   চট্টগ্রাম মহানগরীতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে টোকেন বাণিজ্য, অবৈধ পার্কিং এবং যানবাহনের অনিয়ম রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-বন্দর বিভাগ। এ লক্ষ্যে কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকায় ট্রাফিক-বন্দর বিভাগের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) আবু সাঈদ বাকারের উপস্থিতিতে মইজ্জারটেক মোড়ে যানবাহনের চালক, মালিক ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একটি দিকনির্দেশনামূলক ব্যানার স্থাপন করা হয়। সিএমপি জানায়, সড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও টমটমের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ এবং যানজট কমানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  স্থাপিত ব্যানারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের নাম ব্যবহার করে সিএনজি বা অটোরিকশায় টোকেন বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কোনো গাড়িতে টোকেন প্রদর্শন করা হলে বা টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট যানবাহন তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া নির্ধারিত স্থান ছাড়া যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, নো-পার্কিং এলাকায় গাড়ি রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, গ্রামাঞ্চলের সিএনজি ও ‘অনটেস্ট’ সিএনজির মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মূল সড়কে চলাচল, উল্টোপথে গাড়ি চালানো কিংবা সেতুতে ওঠার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়। এ বিষয়ে ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) আবু সাঈদ বাকার বলেন, “সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কিছু অসাধু চক্র পুলিশের নাম ভাঙিয়ে টোকেন বাণিজ্য পরিচালনার চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের কোনো সম্পর্ক নেই।” তিনি আরও বলেন, “ট্রাফিক আইন অমান্যকারী, টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।”

Share This Article
Leave a Comment