
—মো. কামাল উদ্দিনঃ
চট্টগ্রাম শহর যেমন জীবনশক্তির কেন্দ্র, তেমনি এর প্রতিটি থানা হলো জননিরাপত্তার মূল ভিত্তি। সেই ভিত্তিকে দৃঢ় রাখতে একজন অফিসারকে শুধু দায়িত্বশীল হওয়াই যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন সততা, সাহস, মানসিক দৃঢ়তা এবং আইনের প্রয়োগে নির্ভীক মনোভাব। এ ধরনের যোগ্যতার সমন্বিত প্রতিচ্ছবি আজ যে নামটির সঙ্গে অতুলনীয়ভাবে উচ্চারিত হয়, তিনি চট্টগ্রামের এক সফল পুলিশ কর্মকর্তা—ওসি মো. আফতাব উদ্দিন। চান্দগাঁও থানায় দায়িত্বগ্রহণের পর প্রায় এক বছরের ব্যবধানে তিনি নিজেকে প্রকাশ করেছেন এক নিষ্ঠাবান ও নৈতিকতাবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব হিসেবে। চান্দ গাঁও থানা হতে -বন্দর এবং বন্দর থেকে বাকলিয়া এখন সরাসরি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ। সিএমপির ১৭টি থানার মধ্যে পাঁচবার শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়া—এ শুধু সম্মান নয়; বরং প্রমাণ—যোগ্যতাই তাকে আলাদা করেছে, আদর্শই তাকে শ্রেষ্ঠ করেছে। যে থানাটি ছিল চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ—সেখানেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নিয়ম ও আস্থা চান্দগাঁও—চট্টগ্রামের একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও জটিল এলাকা। মাদক, দখলবাজি, অবৈধ চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে অশান্ত উপাদান—সবকিছুর কেন্দ্র ছিল এই থানা। কিন্তু ওসি আফতাব উদ্দিন দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৩টি হোটেলের অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়েছে ফুটপাত চাঁদাবাজরা পিছিয়ে গেছে মাদক ব্যবসায়ীরা হাতশক্তি হারিয়েছে এমনকি সাধারণ নাগরিকেরা বলেছেন “রাতে রাস্তায় হাঁটা এখন আর ভয় নয়, নিরাপত্তা।” এ যেন পুলিশের কাজ নয়, জননিরাপত্তার নতুন আস্থা নির্মাণ। কিন্তু যেখানে আলো—সেখানে ছায়া থাকে অবৈধ কাঠ পরিবহন সংক্রান্ত একটি ঘটনায় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ওসি আফতাব উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে। যেখানে বৈধ কাগজ যাচাই করা হয়েছিল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আইনগত কোনো অপরাধ পাওয়া যায়নি মালামাল আইনসম্মত ছিল সেখানে কল্পিত দুর্নীতির অভিযোগ—এ কি শুধু কাকতালীয়? না। উদ্দেশ্য ছিল তাকে বিতর্কিত করা, তার দৃঢ় অবস্থানকে দুর্বল করা। যারা বছরের পর বছর অবৈধ সুবিধা ভোগ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেই দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। তাই আজ তাদের হাতেই উঠে এসেছে অপপ্রচারের অস্ত্র। কিন্তু এখানে ব্যর্থ হয়েছে ষড়যন্ত্র। কারণ, জনগণ এবার সত্যের পাশে দাঁড়িয়েছে। সত্য উদঘাটনের দাবিতে জনগণের কণ্ঠস্বর সংবাদ প্রকাশের পর সাধারণ নাগরিকরা নিজ উদ্যোগে সাংবাদিকদের ডাকেন। তাদের বক্তব্য “সংবাদটি যাচাই করুন, সত্য দেখুন, আমাদের এলাকাকে বদলে দেওয়া মানুষটিকে ভুলভাবে তুলে ধরা যাবে না।” সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থানায় আগের মতো হয়রানি নেই মামলা বা অভিযোগ নিয়ে মানুষ নিশ্চিন্ত তদবিরের চাপ প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছেন ওসি এবং সাক্ষাৎকারে নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান— “আইন প্রয়োগে কখনো কারও চাপের কাছে মাথা নত করিনি। সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব।” এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি কেবল একজন কর্মকর্তার নয়; এটি নৈতিকতার স্বাক্ষর। অভিনন্দন—সৎ মানুষের পুরস্কার কখনো বৃথা যায় না অবশেষে প্রশাসনও মূল্যায়ন করেছে তার দক্ষতা ও কর্মস্পৃহা। এটাই সত্যের জয়। অপপ্রচার, কুৎসা, বিভ্রান্তি—সবকিছুকে পেছনে ফেলে আজ তিনি পেয়েছেন চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ঐতিহাসিক, সেন্ট্রাল জোনের নেতৃত্বপূর্ণ দায়িত্ব ওসি আফতাব উদ্দিন এখন সরাসরি দায়িত্ব পেয়েছেন কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে। এ অর্জন শুধু পদ নয়—এটা জনগণের ভালোবাসা ও প্রশাসনিক আস্থার পুরস্কার। যে থানাটি চট্টগ্রামের কেন্দ্রে সেখানে দায়িত্ব পাওয়া মানে সংগঠনগত সর্বোচ্চ আস্থা দায়িত্ববান নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জননিরাপত্তা পরিচালনায় নতুন আস্থা এই উত্তরণের পেছনে আছে মানুষ, আস্থা, সত্য, নৈতিকতা চান্দগাঁওয়ের মানুষ বলেছেন “এই কর্মকর্তা আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করেছিলেন।” আজ সেই মানুষই বলছে “ওসি আফতাব উদ্দিন আমাদের আস্থা। তিনি থাকলে আমরা নিরাপদ। কারণ, সৎ মানুষ হোঁচট খেতে পারে, শর্টকাটের পথে হাঁটে না। নীতিবোধের পথে আঘাত আসে, কিন্তু সেটিই আলোর দিকে এগিয়ে নেয়। তাই বলা যায়— ষড়যন্ত্র থেমে গেছে, অভিযোগ ভেসে গেছে, কিন্তু সততার পতাকা আরও উঁচু হয়েছে। ওসি আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে এখন কোতোয়ালি থানা আরও শক্ত অবস্থানে যাবে—জনসম্পৃক্ত পুলিশিং হবে আরও দৃঢ়, মাদক ও চাঁদাবাজি বিরোধী অভিযান হবে ধারাবাহিক, আর প্রশাসনিক মানদণ্ড আরও সমৃদ্ধ হবে। যে কর্মকর্তা নিজের দায়িত্বকে সাময়িক স্বার্থ নয়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন, যিনি নিজের সিদ্ধান্তে জনগণকে নিরাপত্তা দেন, যিনি চাপের কাছে মাথা নত করেন না, ইতিহাস তাদেরই মনে রাখে। আজ তাই নিশ্চিতভাবে বলা যায় “ওসি মো. আফতাব উদ্দিন—সততার পথের আলোকবর্তিকা, সাহসিকতার প্রতিমূর্তি, এবং মানুষের নিরাপত্তার সুশৃঙ্খল প্রতীক।” আমরা গর্বিত—এই শহর তার নেতৃত্বে আবারও নিরাপত্তার নতুন ইতিহাস লিখবে।