
-মো.কামাল উদ্দিনঃ
বাকলিয়া থানায় যোগদানের পরপরই অফিসার ইনচার্জ আফতাব উদ্দিন দেখালেন কার্যকর প্রশাসনিক দক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাহেবের কঠোর নির্দেশনার ভিত্তিতে তিনি মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই ৭টি বালুর ট্রাক আটক করে বালুর মহাল ও অবৈধ সেলস সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পূর্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি তা কার্যকর করতে ব্যর্থ হন। ফলে বালুর মহালকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খলা, সংঘাত, প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য, এমনকি একাধিক হত্যাকাণ্ডও ঘটে। এ পরিস্থিতিতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাহেব কঠোর সিদ্ধান্ত নেন—যে কোনও মূল্যে অবৈধ বালুর সেলস সেন্টার বন্ধ করতে হবে। নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওসি আফতাব উদ্দিন পেছনে না তাকিয়ে দ্রুত অভিযানে নামে। তিনি শুধু বালুর ট্রাক আটকই করেননি, বরং সিএমপি এলাকায় কোন ধরনের বালু উত্তোলন বা বিক্রি চলতে না পারে—সেটি নিশ্চিত করেছেন। তার এই দৃঢ় অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে এবং বালুর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে এক শক্ত বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। এই সফল অভিযান প্রমাণ করেছে— দৃঢ় নেতৃত্ব থাকলে আইন কার্যকর হয় সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত এলাকায় শান্তি ফেরাতে পারে
জনগণের নিরাপত্তাই পুলিশের প্রথম অঙ্গীকার পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাহেবের দূরদর্শী নির্দেশনা এবং ওসি আফতাব উদ্দিন এর দ্রুত পদক্ষেপে বাকলিয়া এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। তাদের এই সমন্বিত উদ্যোগ চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্যান্য এলাকাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষের।
এটাই বাস্তব সত্য: একজন দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং একজন সাহসী অফিসার—মিলে বদলে দিতে পারে পুরো সমাজের চিত্র।