পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, নৈতিকতা ও মানবতার শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ১ নম্বর রোডের বিপরীতে রূপনগর ক্লাবের পাশে বাদশা মিয়া বিল্ডিংয়ের পঞ্চম তলায় এসডিজি সেমিনার হলে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া। প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মো. আকমল হোসেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাফর হায়দার। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির মহাসচিব মহিউদ্দিন স্বপন।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও নারী উদ্যোক্তা শিরিন আক্তার আইভি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আঞ্জুমান আরা (লাইলী)।
কর্মশালার পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুনা কাশেম এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক মো. আবু হানিফ মাসুদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির চেয়ারম্যান-উপদেষ্টা পরিষদের আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী, অ্যাডভোকেট আশরাফি বিনতে মোতালেব, জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক ও গীতিকার নজরুল ইসলাম, সংগঠনের সহসভাপতি মোহাম্মদ আবু হানিফ, মেরন সান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শ্যামল কান্তি মজুমদার, এসডিজি ইয়ুথ ফোরামের প্রেসিডেন্ট নোমান উল্লাহ বাহার এবং ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন।
সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহমর্মিতা, সাম্য, শান্তি ও মানবাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়বিচার, সম্প্রীতি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
আয়োজকদের মতে, মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও মানবতার শিক্ষা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
