মেট্রোরেলে চলন্ত যাত্রা ও নামিয়ার সঙ্গে কিছু কথা-

0
31
-মো.কামাল উদ্দিনঃ
সচিবালয় থেকে উত্তরা উত্তর, আবার উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল। চলন্ত ট্রেনে সাহিত্য, বন্ধুত্ব, হাসি, মুগ্ধতা এবং কিছু অমলিন রোমান্টিক স্মৃতি
কিছু যাত্রা কেবল গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য হয় না। কিছু যাত্রা মানুষের মনে গল্প হয়ে থাকে, কিছু যাত্রা হয়ে ওঠে স্মৃতির পাতায় লেখা এক একটি জীবন্ত অধ্যায়। আর কিছু যাত্রা আছে, যেগুলোর কোনো পূর্বপরিকল্পনা থাকে না, অথচ শেষ হওয়ার পর মনে হয়, আহা, এমন একটি যাত্রা জীবনে আরও কয়েকবার যদি ফিরে আসত। নামিয়ার সঙ্গে মেট্রোরেলের সেই যাত্রাটি আমার কাছে ঠিক তেমনই একটি স্মৃতি।
সেদিন সচিবালয় মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি আর নামিয়া। চারপাশে অসংখ্য মানুষের ব্যস্ততা। কেউ অফিসে যাচ্ছেন, কেউ ফিরছেন, কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ধরার তাড়া নিয়ে ছুটছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আধুনিক স্টেশনের শৃঙ্খলিত পরিবেশ, টিকিট সংগ্রহের সহজ ব্যবস্থা, কার্ড ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় প্রবেশপথ এবং সময়ের প্রতি মানুষের সচেতনতা দেখে মনে হচ্ছিল, ঢাকার নগরজীবন যেন ধীরে ধীরে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।
আমি বরাবরই মানুষের চলাফেরা, আচরণ এবং চারপাশের পরিবর্তন খুব মন দিয়ে দেখি। সাংবাদিকতা আমাকে মানুষের মুখ পড়তে শিখিয়েছে, লেখালেখি আমাকে মানুষের অনুভূতি বুঝতে শিখিয়েছে, আর টেলিভিশন উপস্থাপনা আমাকে মানুষের কথা ও অভিব্যক্তির ভেতরের গল্প খুঁজে নিতে শিখিয়েছে। তাই মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়ে থেকেও আমার চোখ শুধু ট্রেনের দিকে ছিল না, আমি দেখছিলাম মানুষকে, তাদের ব্যস্ততাকে, তাদের গন্তব্যের তাড়াকে এবং আধুনিক নগরজীবনের এই নতুন ছন্দকে।
আর আমার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল নামিয়া।
নামিয়া একজন লেখিকা। একসময় সংবাদ পাঠ করতেন। সংবাদ পাঠের সেই পরিমিত ও গম্ভীর জগৎ পেরিয়ে তিনি নিজেকে খুঁজে নিয়েছেন কবিতা, গল্প এবং জীবনমুখী লেখালেখির মধ্যে। লেখার সূত্রেই তার সঙ্গে আমার পরিচয়। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছে। তারপর সেই বন্ধুত্বের ভেতর জমেছে কত কথা, কত হাসি, কত মজার ঘটনা এবং কত অপ্রকাশিত স্মৃতি।
মেট্রোরেল আসার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে নামিয়ার সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা হচ্ছিল। কখনো সাহিত্য নিয়ে, কখনো সংবাদ নিয়ে, কখনো পুরোনো দিনের স্মৃতি নিয়ে। আবার কোনো কোনো সময় এমন সব তুচ্ছ বিষয় নিয়েও আমরা হাসছিলাম, যার কোনো গুরুত্ব নেই, কিন্তু সেই হাসির মুহূর্তটিই যেন সবচেয়ে মূল্যবান হয়ে উঠছিল।
আমি মজা করে নামিয়াকে বললাম, “আপনি একসময় সংবাদ পাঠ করতেন, এখন লেখালেখি করেন। তাহলে আজকের এই যাত্রার খবরটা কে লিখবে?”
নামিয়া হেসে বলল, “আপনি তো আছেন। আপনার মতো সাংবাদিক আর লেখক পাশে থাকলে আমার খবর লেখা নিয়ে চিন্তা কী?”
আমি বললাম, “খবর লিখব না, আজ গল্প লিখব।”
নামিয়া মুচকি হেসে বলল, “তাহলে সাবধানে লিখবেন, বেশি কিছু লিখে ফেলবেন না যেন।”
আমি হেসে বললাম, “লেখকের কাছ থেকে গল্প লুকিয়ে রাখা যায় না।”
তারপরই ট্রেন এসে গেল।
দরজা খুলল। যাত্রীরা উঠলেন, কেউ নামলেন। আমরা ট্রেনে উঠলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই দরজা বন্ধ হয়ে গেল। মেট্রোরেল ধীরে ধীরে স্টেশন ছেড়ে দ্রুতগতিতে ছুটতে শুরু করল। মনে হলো, কয়েক মুহূর্ত আগেও যে শহরকে আমরা পায়ে হেঁটে, গাড়িতে বা রাস্তায় দেখে অভ্যস্ত ছিলাম, সেই শহরটিই এখন অন্য এক উচ্চতা থেকে অন্য এক গতিতে আমাদের সামনে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে।
আমরা দুজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই গল্প করতে লাগলাম। বসার জায়গা পাওয়া গেলেও আমাদের কথার মধ্যে এমন একটা প্রাণ ছিল যে দাঁড়িয়ে থাকাটাই যেন আরামদায়ক মনে হচ্ছিল। নামিয়ার মুখে তখন একের পর এক গল্প। তার কথার মধ্যে কখনো সাহিত্য, কখনো মানুষের জীবন, কখনো তার নিজের লেখালেখির অভিজ্ঞতা। আমি শুনছিলাম এবং মাঝেমধ্যে প্রশ্ন করছিলাম।
সাংবাদিকের স্বভাব তো আর যায় না। মানুষের কথার মধ্যেও আমি গল্প খুঁজি।
তবে সেদিন নামিয়াকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশ্ন করিনি। সেদিন আমি সাংবাদিক ছিলাম না, উপস্থাপকও ছিলাম না। সেদিন আমি ছিলাম একজন বন্ধু, যে একজন লেখিকা বন্ধুর সঙ্গে শহরের বুকের ওপর দিয়ে চলন্ত একটি ট্রেনে কিছু সুন্দর সময় কাটাচ্ছিল।
মেট্রোরেলের প্রতিটি স্টেশন যেন একটি করে নতুন দৃশ্যপট খুলে দিচ্ছিল। একটি স্টেশনে কেউ নামছে, অন্য স্টেশনে নতুন কেউ উঠছে। কেউ ফোনে ব্যস্ত, কেউ বই পড়ছে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের হাসি, মজার কথা এবং বন্ধুত্বের স্বাভাবিক উচ্ছ্বাস মেট্রোরেলের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছিল।
আমি নামিয়াকে বললাম, “দেখুন, এই ট্রেনটা আসলে শুধু মানুষ বহন করছে না। এটি হাজার মানুষের হাজার গল্প বহন করছে।”
নামিয়া বলল, “আপনি আবার লেখকের মতো কথা বলা শুরু করেছেন।”
আমি বললাম, “লেখকরা তো সব জায়গাতেই গল্প খুঁজে পান।”
নামিয়া বলল, “তাহলে আজকের গল্পের প্রধান চরিত্র কে?”
আমি একটু তাকিয়ে বললাম, “এটা এখনই বলা যাবে না। গল্প শেষ না হলে প্রধান চরিত্র ঠিক করা যায় না।”
সে হেসে উঠল।
তার সেই হাসি আজও আমার মনে আছে।
নামিয়ার হাসির মধ্যে এক ধরনের সরলতা আছে। খুব স্বাভাবিক, খুব প্রাণবন্ত। তার সৌন্দর্য শুধু মুখের অবয়বে নয়, তার হাসিতে, তার কথার ভঙ্গিতে এবং মানুষের প্রতি তার সহজ অনুভূতিতে। একজন নারীকে সুন্দর করে তোলে শুধু তার বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, তার ব্যক্তিত্ব, তার চিন্তা, তার মনের সৌন্দর্য এবং তার কথার ভেতরের উষ্ণতাও। নামিয়ার মধ্যে সেই সৌন্দর্যের একটি আলাদা উপস্থিতি আমি অনুভব করি।
মেট্রোরেল তখন ছুটে চলেছে। চারপাশে শহরের আলো, নিচে ব্যস্ত ঢাকা, আর আমাদের সামনে একের পর এক স্টেশন। অথচ সেই ব্যস্ততার মধ্যেও আমাদের দুজনের কথার মধ্যে যেন আলাদা একটি পৃথিবী তৈরি হয়ে গিয়েছিল।
কখনো চোখাচোখি হচ্ছে, আবার দুজনেই হেসে ফেলছি। কখনো কোনো কথা বলতে গিয়ে নামিয়া থেমে যাচ্ছে, আমি তার কথার পরের অংশ অনুমান করার চেষ্টা করছি। কখনো আমি কোনো মজার কথা বলছি, আর সে হাসতে হাসতে বলছে, “আপনি আসলে সাংবাদিকের চেয়ে বেশি গল্পবাজ।”
আমি বললাম, “সাংবাদিকতা আর গল্পের মধ্যে পার্থক্য আছে। সাংবাদিক সত্য খোঁজে, আর লেখক সত্যের ভেতরের অনুভূতি খোঁজে।”
নামিয়া বলল, “তাহলে আপনি আজ কোন সত্য খুঁজছেন?”
আমি বললাম, “আজ কোনো সত্য খুঁজছি না। আজ শুধু সময়টাকে উপভোগ করছি।”
কথাটা বলার পর কিছুক্ষণ আমরা দুজনই চুপ হয়ে গেলাম।
কখনো কখনো নীরবতাও কথার মতো সুন্দর হয়।
মেট্রোরেলের গতি তখন আরও দ্রুত মনে হচ্ছিল। কিন্তু আমাদের সময় যেন ধীরে চলছিল। মনে হচ্ছিল, এই যাত্রাটা আর একটু দীর্ঘ হলে ভালো হতো। গন্তব্য যেন একটু দেরিতে আসত। কারণ কিছু মুহূর্ত আছে, যেগুলো মানুষ শেষ করতে চায় না।
অবশেষে উত্তরা উত্তর স্টেশন।
ট্রেন থামল। দরজা খুলল। মানুষের স্রোত নামল। কেউ দ্রুত এগিয়ে গেল, কেউ অপেক্ষা করল, কেউ পরবর্তী গন্তব্যের জন্য অন্যদিকে চলে গেল।
আমরা নেমে এলাম।
কিন্তু আমাদের গল্প থামল না।
কিছুক্ষণ পর আবার ফিরতি যাত্রা শুরু হলো। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলের পথে আমরা আবার মেট্রোরেলে উঠলাম। একই ট্রেন, একই শহর, একই স্টেশন, একই গতি। কিন্তু ফেরার যাত্রায় আমাদের কথাগুলো যেন আরও আপন হয়ে উঠেছিল।
যাওয়া এবং ফেরার মধ্যে কখন যে একটি সাধারণ যাত্রা স্মৃতিতে পরিণত হয়ে গেল, বুঝতেই পারিনি।
আমরা আবার গল্প করলাম। হাসলাম। পুরোনো স্মৃতি মনে করলাম। লেখালেখি নিয়ে কথা বললাম। মানুষের জীবন নিয়ে কথা বললাম। কখনো নিজের নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলাম। কখনো আবার এমন কোনো প্রসঙ্গ উঠে এলো, যার সঙ্গে এই যাত্রার কোনো সম্পর্কই ছিল না, তবুও আমরা হাসতে হাসতে সেই প্রসঙ্গটিকে দীর্ঘ করলাম।
আমার মনে হচ্ছিল, মেট্রোরেলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য শুধু তার গতি নয়। তার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো সময়কে বাঁচিয়ে মানুষের হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় তুলে দেওয়া। সেই সময় কেউ কাজে ব্যবহার করেন, কেউ বই পড়েন, কেউ মোবাইল দেখেন, কেউ ঘুমিয়ে নেন, আর কেউ হয়তো আমার মতো কোনো প্রিয় মানুষের সঙ্গে গল্প করেন।
আধুনিক প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে দ্রুত করেছে। কিন্তু মানুষের অনুভূতি এখনও আগের মতোই আছে। একটি আন্তরিক হাসি এখনও মানুষকে আনন্দ দেয়। একটি সুন্দর কথা এখনও মনে থাকে। একজন ভালো বন্ধুর সঙ্গে কাটানো সময় এখনও হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।
সেদিন নামিয়ার সঙ্গে আমার সেই যাত্রা তাই আমার কাছে শুধু মেট্রোরেলে ওঠা নামার ঘটনা ছিল না। এটি ছিল আধুনিক ঢাকার বুকে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের এক সুন্দর অভিজ্ঞতা।
সচিবালয় থেকে উত্তরা উত্তর।
আবার উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল।
দুটি গন্তব্যের মধ্যে ছুটে চলা একটি ট্রেন।
অসংখ্য মানুষের ভিড়ের মধ্যে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মানুষ।
একজন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক।
অন্যজন একজন লেখিকা, যিনি একসময় সংবাদ পাঠ করতেন এবং এখন শব্দের ভেতর দিয়ে জীবনকে খুঁজে বেড়ান।
আমাদের কথার মধ্যে ছিল সাহিত্য।
ছিল সাংবাদিকতা।
ছিল জীবন।
ছিল হাসি।
ছিল বন্ধুত্ব।
ছিল মুগ্ধতা।
আর ছিল এক ধরনের নরম রোমান্টিকতা, যার কোনো দাবি নেই, কোনো সংজ্ঞা নেই, কোনো নামও নেই। শুধু একটি সুন্দর সময়কে সুন্দরভাবে মনে রাখার আকাঙ্ক্ষা আছে।
মতিঝিলের দিকে ট্রেন যখন ছুটছিল, তখন মনে হচ্ছিল, মানুষের জীবনও আসলে একটি মেট্রোরেলের মতো। আমরা বিভিন্ন স্টেশনে থামি, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হই, কেউ আমাদের জীবনে উঠে আসে, কেউ আবার কোনো এক স্টেশনে নেমে যায়। কেউ কয়েক মিনিটের সহযাত্রী, কেউ কয়েক বছরের। কিন্তু কিছু মানুষ এমনভাবে স্মৃতিতে জায়গা করে নেয় যে তারা ট্রেন থেকে নেমে গেলেও তাদের কথাগুলো আমাদের সঙ্গে চলতে থাকে।
নামিয়ার সঙ্গে সেই যাত্রাটিও হয়তো তেমন একটি গল্প।
হয়তো একদিন আমরা এই দিনের কথা মনে করে আবার হাসব।
হয়তো বলব, “মনে আছে, সেই দিন মেট্রোরেলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কত কথা বলেছিলাম?”
হয়তো নামিয়া আবার বলবে, “আপনি তো তখনও আমার গল্প লিখে ফেলেছিলেন।”
আর আমি হয়তো বলব, “গল্প তখনও শেষ হয়নি। কারণ কিছু গল্প শেষ করার জন্য লেখা হয় না। কিছু গল্প শুধু মনে রাখার জন্য লেখা হয়।”
মেট্রোরেল আমাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে।
কিন্তু সেই যাত্রা আমার মনে যে স্মৃতি রেখে গেছে, তার কোনো গন্তব্য নেই।
সেটি এখনও চলছে।
সচিবালয়ের সেই স্টেশন থেকে উত্তরা উত্তরের পথে, উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলের পথে, মেট্রোরেলের শব্দের সঙ্গে মিশে থাকা নামিয়ার হাসির ভেতর দিয়ে, কিছু মজার কথার ভেতর দিয়ে, কিছু রোমান্টিক মুহূর্তের ভেতর দিয়ে এবং বন্ধুত্বের এক সুন্দর অনুভূতির ভেতর দিয়ে।
কিছু যাত্রা শেষ হয় ট্রেন থামলে।
আর কিছু যাত্রা শুরু হয় ট্রেন থামার পর।
নামিয়ার সঙ্গে সেই মেট্রোরেল যাত্রাটি আমার কাছে ঠিক তেমনই।
একটি ট্রেনের যাত্রা শেষ হয়েছে অনেক আগেই।
কিন্তু গল্পটি এখনও চলছে।
স্মৃতির ভেতর।
মনের ভেতর।
আর হয়তো কোনো একদিন, আবার কোনো মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়ে, হঠাৎ নামিয়ার সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে সেই পুরোনো হাসিটা ফিরে আসবে।
তখন হয়তো আবার কোনো ট্রেন ছুটবে।
আবার কোনো স্টেশন পেছনে পড়ে থাকবে।
আবার গল্প শুরু হবে।
আর আমি মনে মনে লিখব,
“কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে গন্তব্য হয়ে নয়, সুন্দর একটি যাত্রা হয়ে। নামিয়া তেমনই এক সুন্দর যাত্রার নাম।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here