মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের অভিনন্দন

0
36

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বর্ষীয়ান রাজনীতিক, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপসহীন সাহসী নেতা, মেধাবী ও চৌকস ব্যক্তিত্ব মির্জা ফখরুল ইসলাম নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই পাঁচ জেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ফোরামের নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা, অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদী। বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির পদ শুধু একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের ঐক্য, সংবিধানের মর্যাদা এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতীক। মির্জা ফখরুল ইসলাম তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবেন—এটাই বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা। নেতৃবৃন্দ বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অর্থনীতি, পর্যটন, সমুদ্রবন্দর, পাহাড়, বন, নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় এ অঞ্চলের মানুষের অবদান অপরিসীম। তাই চট্টগ্রাম ও পার্বত্য তিন জেলা এবং কক্সবাজারের মানুষের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি, নাগরিক অধিকার, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন সম্ভাবনার বিকাশ, পরিবেশ ও পাহাড়-নদী-সমুদ্রের সুরক্ষা এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির নৈতিক ও সাংবিধানিক প্রভাব ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা তাঁদের। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণতন্ত্রের মূল শক্তি জনগণ এবং রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি সংবিধান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম সংবিধানের মর্যাদা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম বিশ্বাস করে। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, তাঁর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জাতীয় ঐক্যের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও অঞ্চল নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে তিনি একজন অভিভাবকসুলভ রাষ্ট্রীয় ভূমিকা পালন করবেন। তাঁরা আরও বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ উন্নয়ন, শান্তি, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও নাগরিক মর্যাদার পক্ষে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল কর্মময় জীবন কামনা করে বলেন—তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী হবে এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে—এটাই বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার মানুষের প্রত্যাশা।
বিবৃতিদাতারা হলেন—
আবু সাঈদ
চেয়ারম্যান
বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম
মাহাফুজুর রহমান
কার্যকরী সভাপতি
সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার
ড. মো. সানাউল্লাহ
সিনিয়র সহসভাপতি
বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম
মো. কামাল উদ্দিন
মহাসচিব
বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here