অনুসন্ধানধর্মী প্রতিবেদনঃ “বাঁশখালীর শেখেরখীল: অভিযোগ, সামাজিক চাপ ও এক নারীর করুণ পরিণতি

0
1131

আবু ছিদ্দিক- বাঁশখালীঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ৮নং ওয়ার্ডে এক নারীর মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে গভীর প্রশ্ন ও উদ্বেগ। অভিযোগ রয়েছে, বড় বোনের প্রতিবন্ধী শিশুকে পাহারা দেওয়ার সময় স্থানীয় এক প্রভাবশালী জমিদারের দ্বারা তিনি জোরপূর্বক অনৈতিক ঘটনার শিকার হন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটার পর ভুক্তভোগী সামাজিক লজ্জা ও নিরাপত্তাহীনতার ভয়ে বিষয়টি প্রকাশ করতে পারেননি। প্রায় পাঁচ মাস পর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে ‘সমঝোতা’র উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং সম্ভাব্য সন্তানের পিতৃত্ব স্বীকার করতেও রাজি হননি বলে জানা গেছে। এরপর ভুক্তভোগী নারী আইনের আশ্রয় নেন। শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের পরও তিনি মানসিকভাবে স্থিতি ফিরে পাননি। সামাজিক চাপ, অপমানবোধ ও দীর্ঘ অনিশ্চয়তা তাঁকে ভেঙে দেয়। অবশেষে তিনি নিজের জীবন নিজেই শেষ করেন—এমনটাই জানিয়েছে পরিবার। নিহত নারীর বড় বোন ইতোমধ্যে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বাঁশখালী থানার ওসি জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ বলছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনা কেবল একটি পরিবারের শোক নয়; এটি গ্রামীণ সমাজে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে ন্যায়বিচারের পথ কতটা কঠিন হয়ে পড়ে—তারও একটি নির্মম উদাহরণ।
২. সংক্ষিপ্ত ও প্রভাবশালী সংবাদরূপ বাঁশখালীতে নির্যাতনের অভিযোগের পর নারীর মৃত্যু, মামলা দায়ের চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ৮নং ওয়ার্ডে এক নারী নির্যাতনের অভিযোগের পর আত্মহত্যা করেছেন।
পরিবারের অভিযোগ, বড় বোনের প্রতিবন্ধী শিশুকে পাহারা দেওয়ার সময় স্থানীয় এক জমিদার তাঁকে জোরপূর্বক অনৈতিক ঘটনার শিকার করেন। প্রায় পাঁচ মাস পর বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সমঝোতায় রাজি হননি এবং সন্তানের পিতৃত্ব স্বীকার করেননি বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিশু ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অবস্থায় তিনি নিজের জীবন নেন বলে পরিবারের দাবি। নিহতের বড় বোন থানায় মামলা করেছেন। বাঁশখালী থানার ওসি জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here