
কর্ণফুলী নদী আবারও রক্তাক্ত ষড়যন্ত্রের নিঃশব্দ সাক্ষী। আজ ভোরে নদীর বুক চিরে চলা দুটি লোডিং ড্রেজার ইচ্ছাকৃতভাবে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ জানিয়েছেন নদীপারে বসবাসকারী কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। প্রথম দৃষ্টিতে ঘটনাটি সাধারণ দুর্ঘটনা মনে হলেও, গোপন সূত্রে যা ফাঁস হয়েছে তা আরও শিহরণ জাগানো। স্থানীয়দের দাবি—বালুর মহাল দখল, নিয়ন্ত্রণ এবং কোটি টাকার চোরাচালান ব্যবসাকে কেন্দ্র করে যে রক্তাক্ত ক্ষমতার খেলা চলছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে রাউজান কুয়েপাড়ার কুখ্যাত নাছির। সব প্রশ্ন এখন এক জায়গায় এসে থেমে যাচ্ছে কে এই নাছির? কার ছায়ায় তার এই ভয়ংকর শক্তির উৎস? কোন অদৃশ্য হাত তাকে দিচ্ছে নদীর রাজত্ব করার লাইসেন্স? খুব শিগগিরই সাদা কালো মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউস নিয়ে আসছে এই অন্ধকার সাম্রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানী বিশেষ প্রতিবেদন—যা প্রকাশিত হবে একসঙ্গে ৪টি জাতীয় পত্রিকা ও ৫টি মাল্টিমিডিয়া চ্যানেলে।আমাদের গোপন অনুসন্ধান বলছে— এই নাছির একসময় ছাত্রদলের নেতা নুরুল ইসলাম নুরু হত্যাকাণ্ডের প্রধান সমন্বয়কারী ছিল। শুধু তাই নয়, ফজলে করিমের নির্দেশে সংঘটিত বিগত তিন দশকের অসংখ্য খুন, গুম ও অপরাধের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। নুরু হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়দের বর্ণনায় উঠে এসেছে হৃদয়বিদারক তথ্য— পুলিশের সহায়তা পেয়েই নাছির ও তার দল নুরুকে হত্যা করে কুয়েপাড়া ঘাট দিয়ে নদীতে ভাসিয়ে দেয়। আজও সেই ঘটনা নিয়ে মানুষ কাঁপা গলায় কথা বলে। বর্তমানে নাছির পালিয়ে আছে দুবাইয়ে। সেখান থেকেই সে রাউজান–রানু নিয়া–কর্ণফুলীর বিশাল নদীপথ নিয়ন্ত্রণ করে, নির্দেশ দেয় কার ড্রেজার চলবে, কার ব্যবসা টিকবে, আর কাকে সরিয়ে দিতে হবে। নাছিরের শক্তির আসল উৎস লুকিয়ে আছে ফজল হক নামের এক কুখ্যাত ব্যক্তির ছায়ায়, যাকে স্থানীয়রা বলেন—“পেশাদার খুনি, খুনিদের অভয়দাতা, রাউজানের অন্ধকার সরকারের আসল মন্ত্রী।” গত তিন যুগ ধরে রাউজান–রানু নিয়া–চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত অসংখ্য নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে এই একই সিন্ডিকেট। নুরু হত্যাকাণ্ড ছিল এই চক্রের দীর্ঘমেয়াদি নকশার একটি অধ্যায় মাত্র। আমাদের অনুসন্ধানী দল ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে—অডিও–ভিডিও প্রমাণ,সাক্ষ্য–প্রমাণ,নির্ভুল নদীপথ মানচিত্র,বালুর মহালের গোপন সাব–লিজ চক্রের দলিল,নাছির–ফজল হকের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক,ড্রেজার ডুবিয়ে দেওয়ার প্রকৃত কারণের নথি এই সবকিছু এবার প্রথমবারের মতো প্রকাশ পেতে যাচ্ছে সাদা কালো মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউসের বিশেষ অনুসন্ধানে— যেখানে দেখানো হবে— কর্ণফুলীর বুকে কারা রক্তের স্রোত বইয়ে দিয়েছে, ডুবানো হচ্ছে কেন ড্রেজার, কারা নদীকে ব্যবহার করছে মৃত্যু–ব্যবসার করিডর হিসেবে, কোন শক্তি পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে খুন ঢাকতে রক্তমাখা এই সাম্রাজ্যের প্রতিটি স্তর উন্মোচন করতে সাদা কালো মাল্টিমিডিয়ার টিম প্রস্তুত। চোখ রাখুন—কারণ সত্যের মুখোশ এখানে খোলে— সাদা–কালোয়, নির্ভীক অনুসন্ধানে।