
ডেস্কঃ
আনোয়ারা পরৈকোড়া ইউনিয়নের কৈখান গ্রামে ঘটে গেল এক ভয়াবহ ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যেখানে নিহত হয়েছেন মৃত আলী আকবরের পুত্র মোঃ ফরিদ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আনোয়ারা ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, স্থানীয়ভাবে মোহাম্মদ আব্বাস মিয়ার ছেলে, মোঃ ফরিদকে হত্যা করেছে। হত্যার পেছনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ফরিদ শাহাদাতের টাকা আত্মসাত এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য প্রকাশের সম্ভাবনা জানায়। নিহত মোঃ ফরিদের মা ছেনোয়ারা বেগম এ ঘটনাটি নিয়ে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি সাদা কালো-মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউসের চেরাগি পাহাড়স্থ অফিসে এসে তার সন্তানকে হত্যা করার ঘটনাটির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “আমার সন্তান ন্যায্য জীবনের অধিকার চাইছিল, কিন্তু সে প্রাণ দিতে হলো কারো লোভের কাছে।” ঘটনার পরপরই সাদা কালো-মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউসের অনুসন্ধানী সাংবাদিক দল সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। পত্রিকা “চট্রল চিত্র”, সময় আলো, দৈনিক ভোরের আওয়াজ, দৈনিক আমাদের বাংলা, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম এবং কথা টিভি’র অনুসন্ধানী টিম প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে পরিকল্পিত হত্যার আলামত সংগ্রহ করেছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডটি স্বাভাবিক হত্যাকাণ্ড নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত ও মানসিকভাবে প্ররোচিত একটি কাজ ছিল।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চলমান। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন প্রমাণিক দলিল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে শাহাদাত হোসেনের সরাসরি সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছে। সাদা কালো-মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউসের অনুসন্ধানী রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ড স্থানীয় সমাজে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারও নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য সরকারি তৎপরতা দাবি করেছে। ঘটনাটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কড়া নজরদারি ও দ্রুত তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে, যাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। নিহতের মা ছেনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার সন্তানকে হত্যার বিচার চাই। যারা এটি করেছে, তাদেরকে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। আমার সন্তান অকারণে মরেছে, তার ক্ষতিপূরণ ও ন্যায় চাই।” সংবাদ সংস্থার অনুসন্ধান চলছেই এবং এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।