
স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানীর উত্তরা ৪নং সেক্টরে এক প্রবাসীর বাসায় প্রকাশ্যে সংঘটিত হয়েছে ভয়াবহ এক ডাকাতি। মহিলা ডাকাত মেহরুনেছা
লাবনীর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে সিটা ডেল টাওয়ারের এ–৮ ফ্ল্যাটে এই ডাকাতি সংঘটিত করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের প্রবাসী আইয়ুব আলীর মালিকানাধীন ওই ফ্ল্যাটে ১০ সদস্যের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমে টাওয়ারের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং ইন্টারকম টেলিফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর লোহার রড ও অস্ত্র ঠেকিয়ে তারা একের পর এক চারটি দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে।
ডাকাত দলের সদস্যরা বাসায় থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নেয়। এ সময় তারা একজন গর্ভবতী নারীসহ চারজন নারী, একজন পুরুষ ও এক শিশুর ওপর হামলা চালায়। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ডাকাত দলের নেতৃত্বে ছিলেন এক লাবনী নামে এক মহিলা, যিনি পূর্বে অনুরূপ অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনার পরপরই ক্ষতিগ্রস্তরা সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করলেও পুলিশের রহস্যজনক নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পরও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অভিযান বা পদক্ষেপ নেয়নি। ফ্ল্যাটের মালিক প্রবাসী আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, “আমার বাসায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। অথচ পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।” ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, এই ঘটনায় মহিলা ডাকাত লাবনীসহ সম্পৃক্ত ডাকাত দলের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয়রা জানান, টাওয়ারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ডাকাতির এমন ঘটনা এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও পুলিশের ভূমিকার তদন্ত দাবি করেছেন। তবে এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শহিদুল্লাহ সাহেব এর সরাসরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানা যায়।