
-মো.কামাল উদ্দিনঃ
চট্টগ্রামের প্রিয়ব্রত বড়ুয়া—একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, সমাজহিতৈষী, শিক্ষানুরাগী এবং বৌদ্ধ ধর্মের একজন নিবেদিত সেবক। তার ব্যক্তিত্ব, কর্মপরিধি ও পরিবারকেন্দ্রিক জীবনশৈলী এক অনন্য সংমিশ্রণ সৃষ্টি করেছে, যা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। মেসার্স দরবার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী প্রিয়ব্রত বড়ুয়া জন্মেছিলেন শিক্ষামূলক ও নৈতিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ একটি পরিবারে। তার পিতা, চিত্ত রঞ্চন বড়ুয়া, একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক; মাতা, পারিখা রানী বড়ুয়া, সদা গৃহ ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিযুক্ত ছিলেন। প্রিয়ব্রতের জীবনযাত্রা তার পরিবারের শিক্ষাগত ও নৈতিক পরিবেশ থেকে অনুপ্রাণিত। তার বড় ভাই, ডাঃ সুব্রত বড়ুয়া, একজন স্বনামধন্য সার্জন; স্ত্রী ক্লের হেলেন ডিসিলভা চট্টগ্রামের সুনামধন্য চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। তার সন্তানরা—ছেলে অভিষেক বড়ুয়া, যে বর্তমানে আমেরিকার একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করছেন, এবং মেয়ে ইলোরা বড়ুয়া, চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলে অধ্যয়নরত—ও পরিবারের শিক্ষামূলক ও নৈতিক আদর্শে ধীরেসুস্থে গড়ে উঠছে। প্রিয়ব্রত বড়ুয়া কেবল একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি সমাজের অসংগতি, অরাজকতা, হানাহানি, যুদ্ধ-বিগ্রহ, দারিদ্র্য, দুর্দশা এবং অসাম্য দূরীকরণের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে আসছেন। ধর্মের নামে হানাহানি বন্ধ করা, সমাজে শান্তি ও সমতা প্রতিষ্ঠা করা—এই আদর্শের পেছনে তার জীবন নিবেদিত। তার সেবামূলক কাজের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন দারিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে। বোয়ালখালী অঞ্চলের অসংখ্য বৌদ্ধ পরিবার এবং সাধারণ মানুষ তার ও তার পরিবারের আশ্রয়, সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে স্বস্তি পেয়েছে। বিগত বছরগুলো, বিশেষ করে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর, তার পরিবার অযথা হয়রানির মুখে পড়েছে। স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী মনোভাব বজায় রাখায় তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। জঙ্গি গোষ্ঠীর হুমকি, রাজনৈতিক চাপে বাধ্য হয়ে সমাজের নিরীহ মানুষদের রক্ষার জন্য তার পরিবারের প্রতিটি সদস্য সচেতনভাবে সতর্ক এবং সংযত। তার বড় ভাই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, পিতা একজন শিক্ষিত শিক্ষক, স্ত্রী একজন আদর্শ শিক্ষিকা—এদের সমন্বিত জীবনশৈলী এক মডেল হিসেবে সমাজের সামনে এসেছে প্রিয়ব্রতের পরিবার শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করে চলেছে। বিদ্যালয় ও সমাজে তার তত্ত্বাবধানে শতশত অসহায় ও দুঃখী মানুষের চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা হয়েছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মান বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। আজকের সময়ে সমাজে শান্তি, ন্যায় ও অসাম্প্রদায়িকতা রক্ষায় প্রিয়ব্রতের মতো নিবেদিত মানুষ অপরিহার্য। তার পরিবার সম্প্রদায়ের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে তারা যে অবদান রেখেছেন, তা সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এমনকি রাজনৈতিক অস্থিরতা, জঙ্গি হুমকি বা সামাজিক অপপ্রচার তাদের লক্ষ্য রুখতে পারে না। তার জীবন ও পরিবারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে দেশপ্রেম, মানবতার প্রতি অবিচল নিবেদন, শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিষ্ঠা স্পষ্ট। যে পরিবার আজ হুমকির মুখে, তারা কখনো নিজেদের স্বার্থে নয়, বরং সমাজের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করেছে। স্বাধীনতার পক্ষে থাকা, অরাজকতা ও অসাম্য বন্ধে কাজ করা—এই নৈতিক অবস্থান তাদেরকে অনন্য করেছে। বৃহৎ চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও প্রিয়ব্রত বড়ুয়া এবং তার পরিবার সবসময় শান্তি ও সমতার পথে অটল। তারা কখনো রাজনৈতিক ফায়দা বা বিতর্কের পেছনে ভেসে যায়নি। পরিবারটির প্রতি সমাজ ও প্রশাসনের দায়িত্ব হলো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করা। আজকের দিনে, প্রিয়ব্রত বড়ুয়া যেমন একজন সফল ব্যবসায়ী, তেমনি সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও বৌদ্ধ ধর্মের নিবেদিত সেবক। তার জীবনের মূল লক্ষ্য—অসাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক ন্যায়, দারিদ্র্য হ্রাস, শিক্ষার প্রসার এবং অসহায়দের সহায়তা। এই কারণে তার পরিবারকে হুমকির মুখে ফেলা সামাজিক অরাজকতা, অসাম্য এবং দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে এক ন্যায়সঙ্গত সমাজের জন্য ক্ষতিকর। এই পরিবার শুধু চট্টগ্রামের নয়, পুরো দেশের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। বোয়ালখালী অঞ্চলে তারা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সেরা পরিবার হিসেবে পরিচিত; অসহায় মানুষদের চিকিৎসা ও শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের পেশাগত দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ তাদেরকে সমাজে আলাদা স্থান দিয়েছে। প্রিয়ব্রত বড়ুয়া ও তার পরিবার যুদ্ধে নয়, অরাজকতার বিরুদ্ধে, দুর্নীতি ও অসাম্যের বিরুদ্ধে, অসহায় মানুষের কল্যাণে অবিচল। তাই প্রশাসন, সরকার ও সমাজের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কাছে আহ্বান—এই পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের সেবামূলক কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। আজকের সময়ে, যেখানে সমাজে রাজনৈতিক চাপে, জঙ্গি হুমকি ও অপপ্রচারের ঝড় চলছে, প্রিয়ব্রত বড়ুয়া ও তার পরিবার এক আলোস্তম্ভের মতো দাঁড়িয়েছে। তারা প্রমাণ করেছেন যে—সংঘর্ষ নয়, সেবা ও ন্যায়ই সমাজের মূল শক্তি। তাদের পরিবার রক্ষায় প্রশাসন, সমাজ ও দেশের সচেতন নাগরিকরা এগিয়ে আসা উচিত। সমাজের অরাজকতা, হানাহানি, যুদ্ধ-বিগ্রহ, দারিদ্র্য, অসাম্য ও দুর্নীতি বন্ধ করতে প্রিয়ব্রত বড়ুয়ার মতো মানুষ অপরিহার্য। তার পরিবার, যা বোয়ালখালী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ে অনন্য, সমাজ ও দেশের জন্য অনবদ্য ভূমিকা রাখছে, আজ তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের প্রাথমিক কর্তব্য। এই পরিবারের ইতিহাস এবং সেবামূলক কার্যক্রম প্রমাণ করে যে—যে পরিবার শিক্ষা, মানবতা, ধর্ম ও ন্যায়ের পেছনে নিবেদিত, তাদেরকে কোনো রাজনৈতিক বা জঙ্গি হুমকি ভয় দেখাতে পারবে না। বরং সমাজ ও প্রশাসনের সমর্থন তাদের কাজকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সাধারণ মানুষও তাদের নৈতিক ও মানবিক আদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত হবে। প্রিয়ব্রত বড়ুয়া—একজন নিবেদিত মানুষ, একজন সমাজসেবক, একজন শিক্ষানুরাগী। তার পরিবার—একটি আদর্শ পরিবারের দৃষ্টান্ত। তারা সকলের কাছে শিক্ষা, চিকিৎসা ও মানবিক সাহায্যের উৎস। সমাজ ও দেশের শান্তি, সমতা ও কল্যাণে তাদের অবদান অতুলনীয়। আজও তাদের জীবন হুমকির মুখে, তবু তারা থেমে নেই। তাদের কাজ, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং সমাজকল্যাণে নিবেদিত মনোভাব সমাজে আলো ছড়াচ্ছে। প্রশাসন, সরকার এবং সচেতন নাগরিকরা তাদের পাশে দাঁড়ালে এই পরিবার আরও শক্তিশালী হয়ে সমাজে ন্যায়, শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করবে।
প্রিয়ব্রত বড়ুয়া ও তার পরিবার প্রমাণ করেছেন যে—নিশ্চল আত্মত্যাগ, সেবা ও ন্যায়ের প্রতি দৃঢ়তা সমাজের ভিত্তি। তাদের জীবন ও পরিবার এক অনন্য সংমিশ্রণ, যা আমাদের সকলের কাছে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা। সমাজের সমস্ত হুমকি ও অপপ্রচারের মুখেও তারা অটল থাকবেন, কারণ তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত নয়, বরং সমাজ, দেশ ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত। প্রিয়ব্রত বড়ুয়া এবং তার পরিবার—চট্টগ্রাম, বোয়ালখালী, দেশের সাধারণ মানুষ এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাদের জীবন ও সেবামূলক কাজ আমাদের সবাইকে শেখায়—সংঘাত নয়, সেবা, শান্তি ও ন্যায়ই প্রকৃত শক্তি। তাদের রক্ষা ও সমর্থন করা সকলের নৈতিক কর্তব্য। এই লেখাটি প্রায় ১৫০০ শব্দের মধ্যে প্রায় পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও সাহিত্যমূলক সাবলীলতা বজায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।