
বিএনপি ধানের শীষকে ৪৮ বছর ধরে দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং এর আগে এটি মাওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক দলের প্রতীক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। এ সময় তিনি এনসিপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “শাপলা প্রতীক না দিলে ধানের শীষ দেওয়া যাবে না, এ ধরনের অযাচিত দাবি তুলে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা চলমান থাকলে পরাজিত শক্তি সুযোগ পাবে। শাপলা জাতীয় ফুল ও জাতীয় প্রতীক। কেন আপনাদের প্রতীকের সঙ্গে ধানের শীষকে মেলাচ্ছেন? “ধানের শীষ তো আপনাদের জন্মেরও আগে বিএনপির দলীয় প্রতীক। এ নিয়ে কেন বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। এসব কারণে একদিকে সময় নষ্ট; অন্যদিকে ঐক্যের স্প্রিরিট প্রতিহত হচ্ছে।” বিএনপি নেতা আরও বলেন, “এটা যেন বাড়ির আবদার, ছোট ভাই বলছে, যদি চকলেট আমাকে না দেওয়া হয়, তাহলে বড় ভাইকেও দেওয়া হবে না। ব্যাপারটা এরকম।” শনিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন। রুহুল কবীর রিজভী বলেন, “যারা দেশপ্রেমিক, যারা সমাজে অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি, তারা বিএনপির সদস্য হতে পারবেন। সমাজে নানা ধরনের অপকর্মে যুক্ত, যারা জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করে তারা বিএনপির সদস্য হতে পারবেন না। কোনো দুর্নীতিবাজ বিএনপির সদস্য হতে পারবেন না।” “কারখানার শ্রমিক, মাঠের কৃষক, শিক্ষক, চাকরিজীবী যাদের রাজনীতি করার আইনগত অধিকার আছে, তারা সবাই বিএনপির সদস্য হতে পারবেন। শুধু অপরাধীরা সদস্য হতে পারবেন না।” গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল করিম রনির সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, যুবদলের সাবেক সহসভাপতি জাকির হোসেন নান্নু, বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কমিটির গাজীপুর মহানগরের টিম প্রধান ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। তিনি বলেন, “এখনও একটি পক্ষ সুড়ঙ্গ তৈরি করার চেষ্টা করছে কিভাবে পালিয়ে যাওয়া সেই শেখ হাসিনাকে দেশে নিয়ে আসা যায়।”