তারকাখ্যাতির দৃষ্টিকোণ থেকে লিওনেল মেসি যেমন আর্জেন্টিনার জন্য, অনেকের চোখে হামজা চৌধুরীও তেমন গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য। তবে তাকে মেসির জায়গায় ভাবতে বারণ করলেন হামজা। ইংল্যান্ড প্রবাসী এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার মনে করিয়ে দিলেন ফুটবলের মূল সুত্র-কোনো একজনের কাঁধে চড়ে নয়, দলীয় প্রচেষ্টাতেই আসবে সাফল্য। এশিয়ান বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে বৃহস্পতিবার হংকংয়ের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। বাছাইয়ের ‘সি’ গ্রুপের টেবিলই দেখাচ্ছে শক্তি-সামর্থ্যের দিক থেকে তারা কতটা এগিয়ে। এ মুহূর্তে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের পয়েন্ট ৪ করে। বাংলাদেশ ও ভারতের পয়েন্ট ১ করে। ম্যাচটি সামনে রেখে জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ দল। অনুশীলন শুরুর আগে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলতে আসেন হামজা। মেসি ছাড়া আর্জেন্টিনা এবং মেসিসহ আর্জেন্টিনার মতো হামজাসহ বাংলাদেশ, হামজা ছাড়া বাংলাদেশ কেমন-এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন তিনি। ২৮ বছর বয়সী এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার উত্তরও দিলেন বরাবরের মতোই বিনয়ী কণ্ঠে। “অবশ্যই না (আমি এই দলে মেসি নই)। দিন শেষে ফুটবল দলীয় খেলা। আমি মনে করি, যদি মেসিও বাংলাদেশ দলে খেলতেন, তারপরও সঠিক ট্যাকটিকস খুঁজে পাওয়া ও টিম স্পিরিট তৈরি করতে আমাদের বেগ পোহাতে হত।” “ফুটবল কখনই স্রেফ একজন খেলোয়াড়ের বিষয় নয়। বিশেষ করে, আমার ক্ষেত্রে তো নয়ই। আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং ইনশাল্লাহ, এক জাতি হিসেবে আমরা সফলকাম হব। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কদিন আগে কোচ হাভিয়ের কাবরেরা বলেছিলেন, হামজাকে দুই ভূমিকায় দেখতে চান। রক্ষণের সহযোগিতার পাশাপাশি যেন আক্রমণেও সুর বেঁধে দেন লেস্টার সিটির এই ফুটবলার। হামজাও বললেন, দুই ভূমিকায় প্রভাব রাখতে চান তিনিও। “একজন মিডফিল্ডারের সংজ্ঞাতেই আছে রক্ষণের পাশাপাশি আক্রমণেও ভূমিকা রাখা। স্বাভাবিকভাবে, আমিও এই দুই কাজ করতে পারি। এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা ভূমিকা।”
