ওসি গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে চন্দনাইশে অস্ত্রসহ বনদস্যু গ্রেপ্তার

By admin
2 Min Read

মো.কামাল উদ্দিনঃ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আবারও প্রমাণ হলো—দৃঢ় নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হলে অপরাধীদের কোনোভাবেই পার পাওয়ার সুযোগ নেই। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত বনদস্যু মো: সাগর (২৮) কে অস্ত্র ও বিপজ্জনক সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অদ্য ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ বিকাল অনুমান ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দনাইশ থানার হাশিমপুর ইউনিয়নের খানবটতল ওলির পাড়ায় এ অভিযান চালানো হয়। ওসি গোলাম সারোয়ার দ্রুত ঘটনাস্থলে টিম পাঠানোর পাশাপাশি নিজেই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। সাগরের বসতঘরে হঠাৎ করে তল্লাশি শুরু হলে সে হতভম্ব হয়ে যায়। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ০২টি একনলা বন্দুক, ০১টি দা, ০২টি ধারালো ছুরি এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গান পাউডার।
মো: সাগর আহম্মদ মিয়ার পুত্র এবং খানবটতল এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অস্ত্রের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা তার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করত না। তবে পুলিশি এ অভিযানের পর তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। অভিযান শেষে ওসি গোলাম সারোয়ার গণমাধ্যমকে জানান,“জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব। চন্দনাইশে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সবসময় সর্বোচ্চ তৎপর থাকবে।”
ওসি গোলাম সারোয়ার যোগদানের পর থেকেই চন্দনাইশে অপরাধ দমনে একের পর এক সফল অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তার কঠোর মনোভাব ও জনবান্ধব আচরণে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের আস্থা বেড়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করছেন, তার নেতৃত্বে চন্দনাইশ হবে অপরাধমুক্ত এক শান্তির জনপদ।
গ্রেপ্তারের খবর এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অনেকে জানান, এ ধরনের অভিযান অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা পৌঁছে দেবে। তারা বলেন, “ওসি গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে পুলিশ যেভাবে কাজ করছে, তাতে আমরা আবারও বিশ্বাস করতে পারছি যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের পাশে আছে। এ ধরনের অভিযান চলতে থাকলে চন্দনাইশ থেকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি একদিন পুরোপুরি নির্মূল হবে।”চন্দনাইশ থানার এ অভিযান শুধু একজন বনদস্যুকে গ্রেপ্তার করা নয়, বরং পুরো এলাকায় আইনের শাসনের যে বার্তা পৌঁছেছে সেটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। ওসি গোলাম সারোয়ারের দৃঢ় নেতৃত্ব ও পুলিশের তৎপরতা প্রমাণ করেছে—যেখানে আইন আছে, সেখানে অপরাধীর কোনো ঠাঁই নেই।

Share This Article
Leave a Comment