নিজস্ব প্রতিবেদন
১৯৯৮ সালে ভাড়া চুক্তি বাতিলের পরও অসহায় বিধবার বাড়ি দখল করতে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্রনালয়ের আদেশ অমান্য করে ভাড়াচুক্তি বাতিলের আগের ভাড়ার রাজস্ব চালান দেখিয়ে প্রতারণামূলক মিথ্যা প্রচার করে যাচ্ছে ফটোজার্নালিস্টএসোসিয়েশন।
৫৮/১- এ। পুরানা পল্টনস্থ বাড়িটির মালিকানা ও অবস্থান সম্পর্কে ২২/২/২৫ তারিখে পিবিআই একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাড়িটির নীচতলা ০৩/০৭/১৯৯৫খ্রি. ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়শন কে অস্থায়ী ভাবে ভাড়া দেয়ার পর এপিএমবি কর্তৃক ০৮/০১/১৯৯৮খ্রি. অস্থায়ী বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এরপরও তারা উক্ত বাড়িটি নিচতলা তাদের অফিস পরিচালনা করে আসছে । বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাতিলের আগের বকেয়া ভাড়া পরিশোধ না করায় গণপূর্ত বিভাগ ভাড়া আদায়ে মামলা করেন। কেস নং: ১৬৯/গণপূর্ত/৯৯ দায়ের করেন। উক্ত মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে তারা তথা ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ০৩/০৫/২০১৮ তারিখে বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করেন।
এছাড়াও পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তাকে ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন। জানায়, তারা বরাদ্দ বাতিলের পত্র পায়নি। এবং তাদের অন্য কোথাও অফিস না থাকায় উক্ত বাড়ির নিচতলা তারা ছেড়ে যায়নি।অথচ তারা বরাদ্দপত্র বাতিলের পত্র পেয়েছে তা প্রমাণ হচ্ছে তারা বাতিলের আদেশটি আপাতত স্থগিত রাখার জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করে পত্র দেয় ১৫/২/১৯৯৮ তারিখে তাদের তদানিন্তন সাধারন সম্পাদক মহসিনের মন্ত্রানালয় কে দেয়া পত্র তার প্রমান। অথচ তারা এখানেও সুস্পষ্ট প্রতারণা করে যাচ্ছে দখল বজায় রাখার জন্য। তাছাড়া মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর অন্য কোন কর্তৃপক্ষের আদেশও বহাল থাকে না। অথচ ফটো জার্নাল অ্যাসোসিয়েশন তাদের অবৈধ দখল দায়িত্ব বজায় রাখতে এবং পুরাবাড়িটি অবৈধভাবে দখল করতে প্রতারণামূলকভাবে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে নিজেদের বাড়ি দাবি করে। এবং ৬ আগস্ট ২০২৪ পুরো বাড়িটি দখল করে নিতে একটি জাতীয়তাবাদী পরিবারকে ফ্যাসিবাদ অপবাদ দিয়ে সন্ত্রাস হামলা চালায়। আর্মি এসে বাড়ির প্রকৃত মালিক ফিরোজা কে রক্ষা করে।
মহামান্য হাইকোর্ট বিগত ০৮/১১/২০০৬ খ্রি. বাড়িটি ফিরোজা হকের স্বামী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কে এম আলাউদ্দিনের নামে সম্পূর্ণ বাড়িটি বরাদ্দ বহাল রাখার আদেশ দেন। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টও ৭৯/২০১০ মামলার রায়ে ফিরোজা হকের পক্ষে রায় দেন।
রিভিউও ফিরোজা হকের পক্ষে রায় দেন। সার্বিক পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদক এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, মহামান্য উচ্চ আদালতের রায়, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন ও পিবিআইয়ের ২২/২/২৫খ্রি. দাখিল করা প্রতিবেদনের আলোকে সম্পুর্ন বাড়িটির মালিক ফিরোজা হক। তাছাড়া ০৫/০৯/২০২৪ খ্রি. পূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনেও ০৮/০১/১৯৯৮খ্রি. বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী বরাদ্দ বাতিলের হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।এবং ফিরোজা হককে দেওয়া বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে।
বরাদ্দ বাতিলের আগের বকেয়া ভাড়া অাদালতের রায়ের অালোকে ৩/৫//২০১৮ পরিশোধ করে বাড়িটির অস্থায়ী বরাদ্দ এখনো বহাল আছে দাবি করা মহামান্য উচ্চ আদালত ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের সাথে প্রতারণা ।যে প্রতারণাটি ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন বিধবার বাড়িটি দখল রাখার জন্য এবং সম্পুর্ন বাড়িটি দখল করার জন্য একটি প্রতারণা মাত্র।
বাড়িটির মালিকানা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার জন্য এ প্রতিবেদক ব্যাপক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বাড়ীটির মালিকানার আসল তথ্য । সাংবাদিকতার নামে অসহায়ের উপর অত্যাচার এভাবে অব্যাহত থাকলে এক সময় সাধারণ মানুষ সাংবাদিকতাকে ঘৃণা করবে তাই প্রকৃত সাংবাদিকদের উচিত ফটো জানার এসোসিয়েশনের অন্যায় প্রতিরোধে এগিয়ে আসা।