
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের ছয় সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল ও ছয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের সার্বিক দিকনির্দেশনায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং সংঘবদ্ধ চোর চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর জোরারগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মো. মনির আহম্মদের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের ধারাবাহিকতায় জোরারগঞ্জ থানার ৪ নম্বর ধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার এলাকার রজব আলী সওদাগর বাড়ির নুর হোসেনের পাকা ঘর থেকে চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের ছয় সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই করে তাদের সঙ্গে নিয়ে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছত্তরুয়া এলাকায় ‘করেরহাট বাইক ল্যাব’ নামের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ওই গ্যারেজ থেকে আরও দুটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মধ্যে একটি HERO এবং অন্যটি PLATINA ব্র্যান্ডের। গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন—মো. জামসেদ হোসেন প্রকাশ শুভ (২৩), করেরহাট ইউনিয়ন; মো. শরিফুল ইসলাম প্রকাশ জনি (২৬), পূর্ব অলিনগর; সাইফুল ইসলাম প্রকাশ চাঁদ মিয়া (২০), বারইয়ারহাট পৌরসভা; আসিফ মাহমুদ প্রকাশ অভি (২৪), ধুম ইউনিয়ন; ইসমাইল হোসেন (১৮), ধুম ইউনিয়ন এবং মো. মাশরাফি (২০), ইছাখালী ইউনিয়ন—সকলেই জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. মাশরাফির বিরুদ্ধে চুরির তিনটি মামলা রয়েছে। অভিযানে মোট তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল ও ছয়টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।