পর্দার গল্পে নিজের জীবনের ছায়া, আবেগে ভেঙে পড়লেন মিম

By admin
2 Min Read

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তির পর থেকেই দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে অরিজিনাল ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। নির্মাতা কাজী আসাদের এই সিনেমাটি গত ২১ জুন মুক্তির পর বাবা-মেয়ের আবেগঘন সম্পর্ক, মানবিক গল্প এবং অভিনয়শিল্পীদের অনবদ্য পারফরম্যান্সের কারণে আলোচনায় রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অডিটোরিয়ামে সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিনেমার অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা। প্রদর্শনী শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি সিনেমার প্রধান অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। কথা বলতে বলতেই তার চোখে জল চলে আসে। মিম জানান, ‘লাইফলাইন’ শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি এমন একটি গল্প, যা তাকে ব্যক্তিগতভাবেও গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। পর্দায় বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আবেগঘন মুহূর্তগুলো তাকে নিজের জীবনের নানা স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই সিনেমাটি দেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। সিনেমাটিতে মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল আলম সবুজ। তার সংযত ও হৃদয়স্পর্শী অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি রেজওয়ান পারভেজ ও আ খ ম হাসানের অভিনয়ও আলাদাভাবে দর্শকদের নজর কেড়েছে। বিশেষ করে আ খ ম হাসানের চরিত্রটি সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। এটি চরকির প্রযোজনায় বিদ্যা সিনহা মিমের প্রথম কাজ। কুয়াকাটার মনোরম লোকেশনে সিনেমাটির চিত্রায়ণ হয়েছে। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে রেজওয়ান পারভেজ জানান, দুর্গম পথে বাইক চালিয়ে দৃশ্যধারণ করা ছিল তার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, তবে সেই অভিজ্ঞতাই কাজটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে। মাহমুদুল হাসান টিপু ও কাজী আসাদের গল্পে সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন আসাদুজ্জামান আবীর ও কাজী আসাদ। মানবিক সম্পর্ক, আবেগ এবং জীবনের সূক্ষ্ম বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘লাইফলাইন’ ইতোমধ্যেই দর্শকদের কাছে প্রশংসিত একটি কাজ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

Share This Article
Leave a Comment