অবৈধ বাসস্ট্যান্ড নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

By admin
2 Min Read

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) বিকেলে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া যাত্রী ছাউনি সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এসময় যাত্রী ছাউনির আশপাশে ৪ থেকে ৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি বাসস্ট্যান্ড এর দখল নিতে বিএনপির স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই স্থানে অবৈধভাবে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হয় এবং প্রতিটি বাস থেকে নির্দিষ্ট হারে টাকা আদায় করা হয়, যা মাসে কয়েক লাখ টাকায় দাঁড়ায়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একটি গ্রুপ এই স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়। বুধবার সাবেক যুবদল নেতা রিফাত মোল্লার অনুসারীরা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে বিরোধী গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে রিফাত মোল্লার সমর্থক মালেক গাজী (৫৩), শাহীন মিয়া (৩৪), সাজ্জাদ হোসেন (২২) ও মাহমুদ হাসান (২৭) আহত হন। এ ঘটনায় রিফাত মোল্লা বলেন, মেহেদী হাসান সম্রাট ও জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জনের একটি দল তার আমার ওপর হামলা চালায়। হামলার পর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশের সামনে মারধর করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, হামলাকারীদের অনেকেই আগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং বর্তমানে বিএনপির ব্যানারে সক্রিয়। এ ঘটনার পেছনে ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।অন্যদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি বন্ধে আগেই পুলিশকে অবহিত করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, রিফাত মোল্লাই বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং তিনি দলের কেউ নন। কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান হবে না। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, বাসস্ট্যান্ড দখল নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সংঘর্ষের ঘটনায় বিশাল নামে এক ব্যক্তি রিফাত মোল্লাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

Share This Article
Leave a Comment