মজু—চাকতাইয়ের শুটকি পট্টিতে এক সময়ের পরিচিত মুখ। আশু রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে মোড়লগিরির ভঙ্গিতে কথা বলতেন, আর লোকজনের বিশ্বাস ভাঙতেন সুদের ফাঁদে ফেলে। দেনায় জর্জরিত হয়ে যখন আর শহরে টিকতে পারলেন না, প্রতারণার অভিযোগে হারালেন সম্মান, তখন আশ্রয় নিলেন গ্রামের এক মসজিদে। দায়িত্ব নিলেন দানবাক্স পাহারার।
কিন্তু পুরনো অভ্যাস তো আর সহজে যায় না। মজু সেই দানবাক্সের টাকা দিয়েই শুরু করলেন সুদের ব্যবসা—পবিত্র স্থানের অর্থ দিয়ে অপবিত্র চক্র। তিন বছর কেটে গেছে, মসজিদের কোনো হিসাব নেই। অথচ নিজের পেট চলে সেই টাকায়, গায়ে ধর্মের ছাপ, মুখে মোড়লির বুলি—ভেতরে ফাঁকা, দেউলিয়া এক চরিত্র।
তার পুরো পরিবার আজও দেউলিয়া, কিন্তু মুখোশে রয়েছে ‘বড় নাম’ আর ‘অন্তরালে গুরুজন’ হওয়ার অহংকার। বাস্তবতা হলো—মজু এখন এক প্রতারক, এক সুদখোর, যিনি ধর্মীয় আস্থাকে ব্যবহার করছেন নিজ স্বার্থে।
তার জীবনের একের পর এক অপকর্মের পর্দা উন্মোচিত হচ্ছে দৈনিক ভোরের আওয়াজ ও সময় আলোর ধারাবাহিক অনুসন্ধানে। প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার সুদ-প্রতারণার ভয়ঙ্কর দলিল।
চোখ রাখুন এই ধারাবাহিকে—যেখানে উন্মোচিত হবে মজুর ধর্মব্যবসার মুখোশ আর ছদ্মবেশী মোড়লগিরির নগ্ন রূপ।