চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি জাহাজের ভিড়, সরবরাহে স্বস্তি

0
118

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে হরমুজ প্রণালী পার হয়ে আসা চারটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে।রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে আরও একটি এলপিজি জাহাজ ‘এলপিজি সেভেন’ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে এসেছে। পাশাপাশি আরও তিনটি জাহাজ পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব জাহাজ আসায় জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক স্বস্তি তৈরি হয়েছে। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা এলএনজি বহনকারী ‘আল জোরা’ জাহাজ ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে। একই বন্দর থেকে আসা ‘আল জাসাসিয়া’ জাহাজ ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ ভিড়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ আসবে—‘লুসাইল’ (৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি) ৯ মার্চ, ‘আল গালায়েল’ (৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন) ১১ মার্চ এবং ‘লেব্রেথাহ’ (৬২ হাজার মেট্রিক টন) ১৪ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ২৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা ‘জি-ওয়াইএমএন’ নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে আসা ‘বে-ইয়াসু’ জাহাজ ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন মেরিন ইথানল গ্যাস নিয়ে পৌঁছায়। বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিয়েছে, যার মধ্যে চারটি বন্দরে ভিড়েছে এবং বাকি তিনটি পথে রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে, তবে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here