বরগুনার আমতলীর চাউলা গ্রামে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংলগ্ন চর কেটে মাটি বিক্রি করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী খালেক মৃধা। মাটি কেটে গভীর গর্ত তৈরি করার কারণে বাঁধ ও আশপাশের বাড়িঘর এখন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাঁধের ঢালের চরের মাটি এমনভাবে কাটা হয়েছে যে, যেকোনো সময় বাঁধ ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. মানিক বলেন, “যেভাবে বাঁধের চরের মাটি কেটে বিক্রি করা হয়েছে, বর্ষার শুরুতেই বাঁধ ধসে পড়তে পারে। ধসে পড়লে চাউলা গ্রামসহ ৩-৪টি গ্রামের বাড়িঘর ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়ে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।” অভিযোগের বিষয়ে খালেক মৃধার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হাসান বলেন, “বাঁধ সংলগ্ন চরের মাটি কেটে বিক্রি করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি। সরেজমিন তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ বিষয়ে আমতলীর সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আশরাফুল ইসলাম ও বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হান্নান প্রধান বলেন, “তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”