-ডেস্কঃ
দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগে চট্টগ্রামে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের প্রভাবশালী সিবিএ সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াকুবকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ভোরে চান্দগাঁও এলাকা থেকে ডিবির একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে। পরে তাকে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়। চান্দগাঁও থানা সূত্রে জানা গেছে, মো. ইয়াকুবের বিরুদ্ধে আনা একাধিক গুরুতর অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। ১৬ বছর ধরে প্রভাব ও দখলদারিত্বের অভিযোগ+পুলিশ ও যমুনা অয়েল কোম্পানির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, মো. ইয়াকুব প্রায় ১৬ বছর ধরে সিবিএ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে—কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ,ক্যাজুয়াল ও কন্ট্রাক্টর ক্যাজুয়াল নিয়োগে বাণিজ্য, ফার্নেস অয়েল ও বিটুমিন সরবরাহে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্য, বিভিন্ন খাতে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও সুবিধাভোগ করতেন। ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে পরিচিতসংশ্লিষ্টদের দাবি, মো. ইয়াকুব ফ্যাসিবাদী শাসনের দোসর হিসেবে প্রতিষ্ঠানে ভয় ও প্রভাবের সংস্কৃতি গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতির হুমকির অভিযোগও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ থাকলেও তার প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারেননি বলে জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী। তদন্ত চলছে, আরও মামলা আসতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মো. ইয়াকুবের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিললে আরও মামলা ও জিজ্ঞাসাবাদ হতে পারে।ডিবি সূত্র বলছে, যমুনা অয়েল কোম্পানিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়মের নেপথ্য কারিগরদের চিহ্নিত করতে তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হবে।