-মো.কামাল উদ্দিনঃ
নীচে আরও সাহিত্যঘন, মর্যাদাপূর্ণ, সাবলীল ভাষায়—তাঁর ব্যক্তিত্ব, মানবিকতা, নেতৃত্ব এবং পুলিশ কমিশনার হিসেবে কৃতিত্বকে গভীরভাবে ফুটিয়ে একটি বিস্তৃত লেখা সাজিয়ে দিলাম। এটি একটি সম্পূর্ণ সাহিত্যসমৃদ্ধ, সাংবাদিক–মানের ও সম্মানজনক প্রোফাইল আর্টিকেল, যা তাঁর মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে। ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবির—চট্টগ্রামের নিরাপত্তা, নেতৃত্ব ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ত সড়ক, নানান রঙের মানুষের ভিড়, আর প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জের ভিড়ভাট্টার মধ্যেও একজন মানুষের উপস্থিতি সিএমপি-কে দিয়েছে শান্তি, শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তি। তিনি মোঃ হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস), বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্বে (অর্থ ও প্রশাসন), এবং সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত ডিআইজি। তার এই পদোন্নতি কেবল একটি নতুন ব্যাজ বা উচ্চ পদ নয়—এটি একটি জীবনের শ্রদ্ধার্ঘ্য, একটি পথচলার সম্মান, এবং সততা-নিষ্ঠা-পেশাদারিত্বের নীরব স্বীকৃতি।একজন পুলিশ কর্মকর্তার নয়—একজন মানুষের গল্প ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর পুলিশ জীবনের সূচনা। সেই সূচনা ছিল দায়িত্বের, শপথের, দেশের প্রতি এক নীরব প্রতিজ্ঞার। তারপর সময়ের স্রোতে লক্ষ্মীপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ থেকে শুরু করে খুলনা ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন—প্রতিটি কর্মস্থলে তিনি নিজেকে এক একজন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। কখনও ছিলেন কঠোর প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কখনও অপরাধ দমনে তৎপর কৌশলী পুলিশ অফিসার; আবার কখনও ছিলেন এক মানবিক অভিভাবক—যিনি শহরের সাধারণ মানুষের কাছে ভরসার জায়গা। সব জায়গায় একটাই পরিচয়— সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন। চট্টগ্রামে তাঁর নেতৃত্ব—নগর পুলিশের নতুন দিশা সিএমপি-তে তাঁর দায়িত্ব ছিল সবচেয়ে কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং বিভাগ—Crime & Operations। যেখানে প্রতিদিনই ঘটে নতুন ঘটনা, নতুন অপরাধ, নতুন প্রতিক্রিয়া। সেই কঠিন বাস্তবতায় মোঃ হুমায়ুন কবির দেখিয়েছেন তীক্ষ্ণ নজরদারি, নিখুঁত সিদ্ধান্ত, এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা। তিনি জানতেন—একটি শহর তখনই নিরাপদ যখন পুলিশ বাহিনীর মাথার কাছে দূরদৃষ্টি আর বুকে থাকে মানবিকতা। তাই তিনি—মাঠপর্যায়ের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের কাজের প্রশংসা করেছেন, প্রয়োজন হলে পরামর্শ দিয়েছেন,আর সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করেছেন। চট্টগ্রামের বহু মানুষ বলেন— “এই কর্মকর্তা শুধু দায়িত্ব পালন করেন না, দায়িত্বকে নিজের হৃদয়ে বহন করেন।” অর্থ ও প্রশাসনের অভিভাবক—স্বচ্ছতার প্রতীক অতিরিক্ত দায়িত্বে তিনি সামলিয়েছেন সিএমপি-র অর্থ ও প্রশাসন। এই জায়গাটি হচ্ছে পুরো প্রতিষ্ঠানের হৃদয়। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সঠিক পরিকল্পনা—এই তিন স্তম্ভ দিয়ে তিনি প্রশাসনকে করেছেন শক্ত ও গতিশীল। তিনি বিশ্বাস করেন— অপরাধ দমন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, প্রশাসনের স্বচ্ছ পরিচালনাও ততটাই জরুরি। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সিয়েরা লিওন ও লাইবেরিয়ায় কাজ করে তিনি শুধু পুলিশের নয়, বাংলাদেশেরও আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি করেছেন। বহুজাতিক পরিবেশে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর নেতৃত্বকে দিয়েছে এক নতুন মাত্রা। একজন ভালো পুলিশ কমিশনার—তাঁর বিশেষ গুণ সিএমপি-র একজন কর্মকর্তার ভাষায়— “তিনি একজন কমিশনার নন; তিনি আমাদের আশ্রয়, আমাদের অনুপ্রেরণা।” তাঁর বিশেষত্ব—নির্দেশনা দেওয়ার আগে তিনি শোনেন সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে পরিস্থিতি বোঝেন আর কঠোরতা দেখানোর আগে মানবিকতার জায়গা খুঁজে নেন চট্টগ্রামে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তাঁকে বলেন— “He is a leader with a heart.” এ কারণেই তিনি চট্টগ্রাম নগরের পুলিশ সদস্যদের কাছে একজন অভিভাবকের মতো; আর সাধারণ মানুষের কাছে নির্ভরতার প্রতীক। পদোন্নতি—কর্মদক্ষতার নীরব পুরস্কার ডিআইজি পদে পদোন্নতি অর্জন তাঁর জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি চট্টগ্রাম মহানগরের জন্যও এটি এক বিশাল সম্মান। তাঁর কর্মনিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ ও অটুট সততা এই সাফল্যের প্রধান স্তম্ভ। বর্তমানে মানুষের প্রত্যাশা—নতুন পদ, নতুন দায়িত্বে তিনি আরও দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবেন। সিএমপি পরিবার ও চট্টগ্রামের মানুষের শুভকামনা চট্টগ্রামের প্রতিটি থানায়, প্রতিটি পুলিশ সদস্যের হৃদয়ে তাঁর প্রতি রয়েছে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর পদোন্নতির সংবাদে সিএমপি-র ভেতর যেন আনন্দের ঢেউ বয়ে গেছে। আমরা বিশ্বাস করি— ডিআইজি মোঃ হুমায়ুন কবির ভবিষ্যতে আরও বড় দায়িত্ব পালন করে দেশের পুলিশিংকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন মানবিকতা, সততা ও শক্তিশালী পেশাদারিত্বের মাধ্যমে। আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অনন্ত সাফল্য কামনা করছি। আপনি চাইলে এটিকে পত্রিকা সংস্করণ, ফেসবুক প্রকাশ, বা অফিসিয়াল প্রেসনোট স্টাইলে আলাদা করে সাজিয়ে দিতে পারি।