নিজস্ব প্রতিবেদক:
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনে আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে অনিয়ম দুর্নীতি অবৈধ গ্যাস সংযোগ, গ্যাস চুরি, নিয়োগ বাণিজ্য, ভুয়া বিল ভাউছার বানানোসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েন শ্রমিক লীগের দাপুট দেখিয়ে সিবিএ নেতারা। আওয়ামী লীগ সরকার পতন হওয়ার পর সাথে সাথে চক্রটি শ্রমিক দল সেঁজে আগের মত বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার চেষ্ঠা করলে অফিস স্টাফ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ স্টাফদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। শ্রমিক লীগের কমিটি থেকে পদত্যাগ না করে রাতারাতি স্বঘোষিত শ্রমিক দলের সভাপতি মো, শরিফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দীন পরিচয় দেয়ায় এ নিয়ে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিশনের মধ্যে ক্ষোভ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শ্রমিক লীগ নেতা শ্রমিক দল সেঁজে পেট্টোবাংলা চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির চেয়ারম্যান ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসিকে স্বাগত জানিয়ে শুক্রবার রাতের আঁধাওে কর্ণফুলী গ্যাস অফিসের প্রধান কার্যালয়ের দেয়ালে ব্যানার টাঙ্গানোর ঘটনায় কর্তৃপক্ষও বিব্রত বলে জানায়। জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতারা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলা ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে শ্রমিক লীগ নেতা শরিফ এবং মহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে। তারা পট পরিবর্তনের সাথে সাথে রাজনীতি পাল্টানোর ঘটনায় বিব্রত অবস্থায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির শ্রমিক লীগ নেতা শ্রমিক দল পরিচয় দিয়ে ব্যানার টাঙ্গানোর বিষয়ে জানার জন্য মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও মোবাইলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিকী জানান, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনে শ্রমিক দলের কোন কমিটি নেই, সেখানে শ্রমিক দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে থাকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, যেখানে বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের সময়ে জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হওয়াদের কমিটিতে জায়গা দিতে পারছি না আমরা সেখানে শ্রমিক লীগের কেউ শ্রমিক দল সাঁজার সুযোগ নেই, যদি সংগঠনের নাম ব্যবহার করে থাকেন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করব তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের কাছে রির্পোট করার।